আইপিএলের ভরা মরশুমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবিরে যেন নাটকের পর নাটক চলছে। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামেননি দলের নিয়মিত অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া। তাঁকে ঘিরে যখন ‘বিদ্রোহ’ ও ‘বাদ পড়া’র জল্পনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে এল এক বড় আপডেট। জানা গিয়েছে, কোনো অন্তর্দ্বন্দ্ব নয়, বরং পিঠের প্রচণ্ড খিঁচুনির (Back Spasms) কারণেই সাময়িকভাবে মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে এই তারকা অলরাউন্ডারকে।
ম্যাচের শুরুতে স্ট্যান্ড-ইন ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছিলেন, হার্দিক ‘ভালো নেই’। সেই অস্পষ্ট মন্তব্যে ধোঁয়াশা আরও বাড়ে। পরে দলের তরফে স্পষ্ট করা হয় যে, হার্দিকের শারীরিক অবস্থা ঝুঁকি নেওয়ার মতো ছিল না। যদিও এই চোট কতটা গুরুতর এবং পরবর্তী ম্যাচে তিনি ফিরতে পারবেন কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো বার্তা মেলেনি। হার্দিকের সতীর্থ রায়ান রিকেলটন জানিয়েছেন, তাঁরাও ম্যাচের দিন সকালেই এই পরিবর্তনের খবর পান। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, হার্দিক দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরবেন।
হার্দিকের অনুপস্থিতিতে এদিন লখনউয়ের রান পাহাড়ে চাপা পড়ার উপক্রম হয়েছিল মুম্বইয়ের। নিকোলাস পুরানের বিধ্বংসী ৬৩ (২১ বল) এবং মিচেল মার্শের লড়াকু ৪৪ রানের সৌজন্যে লখনউ ২০ ওভারে তোলে ২২৮/৫। কিন্তু জবাবে মুম্বইয়ের ব্যাটিং লাইন-আপ যেন আগ্নেয়গিরি হয়ে আছড়ে পড়ে। দলে ফেরা ‘হিটম্যান’ রোহিত শর্মা (৮৪) এবং রিকেলটন (৮৩) মিলে ১৪৩ রানের অতিমানবীয় পার্টনারশিপ গড়ে লখনউয়ের জয়ের স্বপ্ন চুরমার করে দেন। ১৮.৪ ওভারেই বিশাল লক্ষ্য পার করে দেয় মুম্বই। এই জয়ের ফলে নবম স্থানে উঠে এল তারা, আর হারের হ্যাটট্রিক করে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতেই পড়ে রইল লখনউ।





