অক্ষয় তৃতীয়া মানেই সোনার দোকানে লম্বা লাইন। কিন্তু আপনি কি জানেন, গয়না হিসেবে সোনা কেনা আসলে বিনিয়োগের দিক থেকে সবচেয়ে কম লাভজনক? কারণ এতে মেকিং চার্জ ও জিএসটি দিতে গিয়ে আপনার আসল মূলধনের অনেকটাই খরচ হয়ে যায়। বর্তমান বাজারে তাই ডিজিটাল গোল্ড এবং গোল্ড ইটিএফ (Gold ETF) হয়ে উঠেছে বিনিয়োগকারীদের প্রথম পছন্দ।
১. সোনার গয়না: আবেগে লাভ, কিন্তু পকেটে কত?
অসুবিধা: গয়না কিনলে ৮ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত মেকিং চার্জ এবং ৩ শতাংশ জিএসটি দিতে হয়। বিক্রির সময় এই টাকা ফেরত পাওয়া যায় না। এছাড়া রয়েছে লকারে রাখার খরচ এবং বিশুদ্ধতা নিয়ে ভয়।
২. ডিজিটাল গোল্ড: মাত্র ১ টাকাতেও সোনা!
সুবিধা: পেটিএম (Paytm) বা অ্যামাজনের (Amazon) মাধ্যমে ঘরে বসেই খুব অল্প টাকা দিয়ে সোনা কেনা যায়।
অসুবিধা: এটি এখনও সেবি (SEBI) দ্বারা সরাসরি নিয়ন্ত্রিত নয়, ফলে স্বচ্ছতা নিয়ে কিছুটা ঝুঁকি থাকে।
৩. গোল্ড ইটিএফ (Gold ETF): বিনিয়োগের ‘মাস্টারস্ট্রোক’
বিনিয়োগের জন্য এটিই বর্তমান সময়ের সেরা অপশন। এটি সেবি (SEBI) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং স্টক মার্কেটে লেনদেন করা যায়।
কেন কিনবেন: এতে কোনো মেকিং চার্জ নেই, বিশুদ্ধতা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত এবং চুরির ভয় নেই।
দাম কত: টাটা গোল্ড ইটিএফ বা গ্রো গোল্ড ইটিএফ-এর দাম শুরু হচ্ছে মাত্র ১৪-১৫ টাকা থেকে!
এক নজরে কিছু জনপ্রিয় গোল্ড ইটিএফ-এর দাম:
| ফান্ড হাউজ | দাম (টাকা) |
| টাটা গোল্ড ইটিএফ | ১৪.৬৫ |
| গ্রো গোল্ড ইটিএফ | ১৪.৭৩ |
| জেরোধা গোল্ড ইটিএফ | ২৩.৭৪ |
| নিপ্পন ইন্ডিয়া গোল্ড বিইএস | ১২৪.৮০ |
| এইচডিএফসি গোল্ড ইটিএফ | ১২৮.৮২ |
করের সুবিধা:
ডিজিটাল গোল্ড বা ফিজিক্যাল সোনার ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী মূলধনী লাভ কর (LTCG) দিতে হয় ২৪ মাস পর থেকে। কিন্তু গোল্ড ইটিএফ-এর ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যায় মাত্র ১২ মাস পরেই!





