রাশিয়া ও ইউক্রেনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত যখন বিশ্ব অর্থনীতিতে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঠিক তখনই একনায়ক কিম জং উনের উত্তর কোরিয়ার জন্য এই যুদ্ধ আক্ষরিক অর্থেই শাপে বর হয়ে দেখা দিয়েছে। সিওল-ভিত্তিক একটি সংস্থার সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, রাশিয়াকে সামরিক সরঞ্জাম ও সৈন্য সরবরাহ করে পিয়ংইয়ং গত তিন বছরে প্রায় ১৪ বিলিয়ন বা ১৪০০ কোটি মার্কিন ডলার আয় করেছে।
সৈন্য ও অস্ত্র রপ্তানিতে রেকর্ড আয়: ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি (INSS)-এর রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার সাহায্যে কয়েক দফায় সৈন্য পাঠিয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে চারটি পর্যায়ে ব্যাপক হারে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি কামান, গোলাবারুদ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রপ্তানি করে উত্তর কোরিয়া ৭.৬৭ বিলিয়ন থেকে ১৪.৪ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করেছে।
নগদ নয়, লক্ষ্য সামরিক প্রযুক্তি: মজার বিষয় হলো, এই আয়ের সিংহভাগই নগদ অর্থে লেনদেন হয়নি। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, মোট আয়ের প্রায় ৮০ থেকে ৯৬ শতাংশই এসেছে সংবেদনশীল সামরিক প্রযুক্তি, সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশ এবং বিশেষ সামরিক উপকরণের আকারে। এর বিপরীতে রাশিয়া থেকে খাদ্য, জ্বালানি ও অস্ত্রের নিশ্চয়তা পেয়েছে উত্তর কোরিয়া, যার বাজারমূল্য ৫৮০ মিলিয়ন থেকে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে।
নিষেধাজ্ঞা কি অকার্যকর? বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, উত্তর কোরিয়া যদি এই বিপুল পরিমাণ আয়ের সম্পূর্ণ অংশ আদায় করে নিতে পারে, তবে দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক মহলের আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলি কার্যত অকেজো হয়ে পড়বে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বিকল্প পথ তৈরি হওয়ায় কিম প্রশাসন এখন আরও শক্তিশালী। কিমের এই ‘যুদ্ধ-ব্যবসায়’ ২০২৫ সালের শেষে উত্তর কোরিয়ার বৈদেশিক





