আশা ভোঁসলের প্রয়াণে সঙ্গীত জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। ১৯৫৮ সালে মুম্বইয়ের এক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় ১৪-১৫ বছরের কিশোরী আরতি মুখোপাধ্যায় প্রথম দেখেছিলেন আশা’জিকে। সাদা শাড়ি আর কানে মুক্তোর দুলের সেই সাধারণ সাজে ‘ইনা মিনা ডিকা’ গেয়ে দর্শকদের তিনবার ‘এনকোর’ গাইতে বাধ্য করেছিলেন তিনি। সেই স্মৃতি হাতড়াতে গিয়ে আরতি মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে ওঁর পায়ের ধুলো নিয়েছিলাম, আর উনি বলেছিলেন— আমরা আবার নিশ্চয়ই দেখা করব।”
আরতি মুখোপাধ্যায়ের কথায়, আশা’জি ছিলেন অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং আজীবন নতুনত্বের সন্ধানী। পাশ্চাত্য গানের স্টাইল রপ্ত করে তা হিন্দি গানে প্রয়োগ করার ক্ষমতা কেবল ওঁরই ছিল। গানের পাশাপাশি সংসারের গুরুদায়িত্ব যেভাবে তিনি সামলেছেন, তা ঈশ্বরের আশীর্বাদ ছাড়া সম্ভব নয়। কখনও হাসিখুশি, কখনও বা কিছুটা মুডি— একজন প্রকৃত শিল্পীর সমস্ত গুণই ছিল ওঁর মধ্যে। আরতি মুখোপাধ্যায়ের আক্ষেপ, “এখন মনে হচ্ছে, আর কী শুনব?”





