৯ সেপ্টেম্বর অ্যাপলের মেগা ইভেন্ট! প্রকাশ্যে নতুন ফোল্ডেবল iPhone Ultra ও iOS 27

প্রযুক্তির দুনিয়ায় ফের একবার ধামাকা আনতে চলেছে অ্যাপল। আসন্ন সেপ্টেম্বর মাসে আয়োজিত হতে চলেছে অ্যাপলের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মেগা ইভেন্ট। রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাপল পার্কে এই ইভেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে। টেক-প্রেমীদের জন্য এই বছরের সবচেয়ে বড় চমক হতে চলেছে সংস্থার প্রথম ফোল্ডেবল ‘iPhone Ultra’ এবং নতুন ‘iPhone 18 Pro’ সিরিজ।
অ্যাপল এবার তাদের সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার—উভয় ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব পরিবর্তনের পরিকল্পনা করেছে। নতুন আইফোনের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে সংস্থার লেটেস্ট অপারেটিং সিস্টেম ‘iOS 27’। ৬ জুলাই এর ডেভেলপার বিটা ভার্সন সফলভাবে রিলিজ হয়েছে এবং আগামী ১৪ জুলাইয়ের মধ্যেই এর পাবলিক বিটা ভার্সন উন্মোচিত হতে চলেছে। ব্লুমবার্গের বিশেষজ্ঞ মার্ক গুরম্যানের মতে, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ এবছর অত্যন্ত মসৃণভাবে এগোচ্ছে। iPhone 18 Pro থেকে শুরু করে iPhone 11 সিরিজ পর্যন্ত সমস্ত পুরনো মডেলেও মিলবে এই নতুন সফটওয়্যারের সুবিধা।
ইভেন্টের সূচি অনুযায়ী, ৯ সেপ্টেম্বর লঞ্চের পরপরই, অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার থেকে বিশ্বজুড়ে নতুন ডিভাইসগুলির প্রি-অর্ডার শুরু হয়ে যাবে। ক্যালিফোর্নিয়ার সময় অনুযায়ী সকাল ৫টা থেকেই বুকিং উইন্ডো খুলে দেওয়া হবে। প্রি-অর্ডারের ক্ষেত্রে স্টকের জন্য হুড়োহুড়ি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ অ্যাপলের নতুন মডেলের চাহিদা বরাবরই আকাশচুম্বী। এরপর ১৪ সেপ্টেম্বর iOS 27-এর জেনারেল রিলিজ হতে পারে এবং সবশেষে ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার থেকে নতুন iPhone 18 Pro এবং 18 Pro Max সরাসরি বাজারে বিক্রির জন্য স্টোরে পৌঁছে যাবে।
সবচেয়ে বেশি জল্পনা চলছে অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল ফোন ‘iPhone Ultra’ নিয়ে। প্রযুক্তির বাজারে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে চলা এই ফোনটি কি ৯ তারিখেই হাতে পাওয়া যাবে? বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশের মতে, নতুন ক্যাটাগরির ফোন হওয়ায় অ্যাপল হয়তো বাজারজাতকরণে কিছুটা সময় নিতে পারে, যেমনটা তারা iPhone X-এর ক্ষেত্রে করেছিল। তবে এই ফোল্ডেবল ডিভাইসের পাশাপাশি দুটি নতুন অ্যাপল ওয়াচও লঞ্চ হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
এই মেগা লঞ্চে নতুন সিইও জন টার্নাস সারা বিশ্বের সামনে অ্যাপলের ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরবেন। সবমিলিয়ে, সেপ্টেম্বর মাসে অ্যাপলের এই ইভেন্ট যে স্মার্টফোন দুনিয়ায় নতুন রেকর্ড গড়তে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। নতুন স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্ট, উন্নত ক্যামেরা এবং ফোল্ডেবল প্রযুক্তির মিশেলে অ্যাপল কতটা চমক দেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।