হাতি-মানুষ সংঘাত এড়াতে অভিনব কৌশল! উত্তর লতাবাড়ি ও গুদামডাবড়িতে কেন বসানো হচ্ছে সোলার ফেন্সিং ও লাইট?

হাতি ও মানুষের মধ্যে নিত্যদিনের সংঘাত এড়াতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে বন দফতর। আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনি ব্লকের উত্তর লতাবাড়ি এবং গুদামডাবড়ি এলাকায় হাতির হানা এখন নিত্যদিনের ঘটনা। এই সংঘাত কমাতে এবার বন দফতর এবং যৌথ বন সুরক্ষা কমিটি (JFPC) সোলার-নির্ভর প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বন দফতরের হ্যামিলটনগঞ্জ রেঞ্জ অফিসার অর্ণব দাস জানান, হাতির দল এক জায়গায় স্থির থাকে না। তাদের চলাচল এবং কৃষকদের জমি, ফসল ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি রুখতেই এই উদ্যোগ। কৃষকদের পক্ষ থেকে বারবার অভিযোগ আসার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে উত্তর লতাবাড়ি ও গুদামডাবড়ি এলাকায় রোজই হাতির আনাগোনা দেখা যায়।
ইতিমধ্যে, এই দুটি গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সোলার লাইট বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত চল্লিশটি সোলার লাইট বসানো হয়েছে। উত্তর লতাবাড়ি এলাকায় এই সোলার লাইটের উদ্বোধন করেন আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব। বন দফতরের আধিকারিকরাও সেই সময় উপস্থিত ছিলেন।
রেঞ্জ অফিসার আরও বলেন, “হাতিকে তো পুরোপুরি আটকে রাখা সম্ভব নয়, তবে তারা যাতে ভয় পায়, সেই ব্যবস্থা করা যেতে পারে। যার জন্য সোলার লাইট ও সোলার চালিত ফেন্সিং ঝোলানো হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় কৃষকদের জমি সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে।”