সিএনজি গাড়ির মাইলেজ নিয়ে দুশ্চিন্তায়? এই ৫টি সহজ উপায় মানলেই পকেট বাঁচবে হাজার হাজার টাকা!

পেট্রোল ও ডিজেলের আকাশছোঁয়া দামের বাজারে অনেকেই যাতায়াতের খরচ কমাতে সিএনজি গাড়ির ওপর ভরসা রাখছেন। তবে একটু পুরনো হলেই সিএনজি গাড়ির মাইলেজ কমে যাওয়ার সমস্যাটি অত্যন্ত সাধারণ। অতিরিক্ত টাকা খরচ করে গ্যারেজে ছোটাছুটি না করে, দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস এবং ছোটখাটো কয়েকটি সেটিংসে পরিবর্তন আনলেই গাড়ির মাইলেজ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিএনজি সিলিন্ডারের অতিরিক্ত ওজনের কারণে গাড়ির পেছনের অংশে বেশি চাপ পড়ে। তাই টায়ারে সঠিক পরিমাণে হাওয়া না থাকলে রাস্তার সঙ্গে ঘর্ষণ বেড়ে যায় এবং ইঞ্জিনকে বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হয়, যার ফলে গ্যাস খরচও বেশি হয়। প্রতি সপ্তাহে টায়ারের প্রেশার চেক করা এবং তা সঠিক মাত্রায় রাখা এই সমস্যার অন্যতম সহজ সমাধান। এছাড়া ইঞ্জিনের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে প্রতি ৫,০০০ কিলোমিটার অন্তর এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করা এবং স্পার্ক প্লাগের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

গাড়ি চালানোর ধরণও জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় ভূমিকা রাখে। হঠাৎ করে দ্রুত গতি বাড়ানো কিংবা ঘনঘন ব্রেক কষার অভ্যাস সিএনজির খরচ বাড়িয়ে দেয়। ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটারের একটি স্থির গতি বজায় রাখলে এবং সঠিক সময়ে গ্যার পরিবর্তন করলে মাইলেজ অনেকটাই ভালো পাওয়া যায়। পাশাপাশি, গ্যাস রিফিল করার সঠিক সময় বেছে নেওয়াও বেশ কার্যকরী। বিশেষ করে খুব ভোরে বা রাতে তাপমাত্রা কম থাকায় গ্যাস বেশি সংকুচিত হয়, ফলে সিলিন্ডারে সঠিক চাপে তুলনামূলক বেশি জ্বালানি প্রবেশ করে। এই সাধারণ কৌশলগুলি মেনে চললেই অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই সিএনজি গাড়ির মাইলেজ বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।