তোলাবাজির অভিযোগে ফের কাঠগড়ায় তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। অভিযোগ, হকারদের স্থায়ীভাবে ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনপ্রতি প্রায় তিন লক্ষ টাকা করে তোলা আদায় করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত কাউন্সিলর পলাতক এবং তাঁর বিলাসবহুল গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় কাউন্সিলরের ব্যক্তিগত চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সিন্ডিকেটের মডিউলাস অপারেন্ডি: তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, শহরজুড়ে হকারদের পুনর্বাসনের নামে একটি বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন সুশান্ত ঘোষ। স্থানীয় হকারদের ভয় দেখিয়ে বা ব্যবসার লোভ দেখিয়ে মাথাপিছু ৩ লক্ষ টাকা করে দাবি করা হতো। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই টাকা সংগ্রহের মূল দায়িত্ব ছিল কাউন্সিলরের ব্যক্তিগত চালকের কাঁধে। হকারদের কাছ থেকে টাকা সরাসরি কাউন্সিলরের হাতে না পৌঁছে, চালকের মাধ্যমেই তা গন্তব্যে পৌঁছত।
পুলিশের জালে চালক, হন্যে হয়ে খুঁজছে কাউন্সিলরকে: কাউন্সিলরের চালককে গ্রেপ্তারের পর জেরা করে তোলাবাজির একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে পুলিশের দাবি। চালক স্বীকার করেছেন যে, এই পুরো চক্রের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন সুশান্ত ঘোষ নিজেই। পুলিশ ইতিমধ্যেই কাউন্সিলরের ব্যবহৃত গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে এবং তাঁর সম্ভাব্য গোপন আস্তানাগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছে।
হকার সংগঠনের প্রতিনিধিদের দাবি, দীর্ঘ দিন ধরেই সুশান্ত ঘোষ এই তোলাবাজি চালিয়ে আসছিলেন। কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁদের ওপর নেমে আসত হুমকি। এই ঘটনার পর কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিরোধীরাও। প্রশাসন সূত্রে খবর, অভিযুক্তের কোনো প্রভাবশালী যোগসূত্র আছে কি না, তাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।





