সাড়ে ৫ কোটি নগদ ও ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার, কুখ্যাত বালি মাফিয়ার গোপন সম্পত্তি দেখে তাজ্জব প্রশাসন

বীরভূমের মহম্মদবাজারে অবৈধ বালি মাফিয়ার বিরুদ্ধে এক ঐতিহাসিক ও সফল অভিযান চালিয়ে তাক লাগিয়ে দিল জেলা পুলিশ। গোপন সূত্রে প্রাপ্ত নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে কুখ্যাত বালি মাফিয়া টুলু মণ্ডল ওরফে মহম্মদ নজিবউদ্দিনের গোপন আস্তানায় হঠাৎ হানা দিয়ে পুলিশ যে পরিমাণ অবৈধ নগদ ও সম্পত্তির সন্ধান পেয়েছে, তাতে রীতিমতো চোখ কপালে উঠেছে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রশাসনিক আধিকারিকদেরও। এই চাঞ্চল্যকর ও সফল অভিযানের পরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে উষ্ণ অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
অভিযানে কী কী উদ্ধার হয়েছে?
পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এই সাঁড়াশি অভিযানে এখনও পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ অবৈধ নগদ অর্থ এবং সোনাদানা উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
নগদ টাকা: প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে। (সংবাদ লেখা পর্যন্ত টাকা গোনার কাজ তখনও জারি ছিল)।
স্বর্ণালংকার: পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতির হদিশ দিয়ে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১৫ কিলোগ্রাম সোনা।
মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা ও পুলিশের ভূমিকা
এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এক বিশেষ বার্তায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ (Zero Tolerance) নীতির কথা জোরালোভাবে পুনর্ব্যক্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি প্রশংসার সুরে জানান, এমন একটি অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে বীরভূম জেলার মহম্মদবাজার থানার পুলিশ যেভাবে চরম পেশাদারিত্ব, দ্রুততা এবং সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।
এই ঐতিহাসিক ও অনুকরণীয় সাফল্যের জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজিপি, বীরভূমের পুলিশ সুপার এবং এই অভিযানে যুক্ত প্রতিটি পুলিশকর্মীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পুলিশের এমন কড়া ও সাঁড়াশি পদক্ষেপে রাজ্যের বালি মাফিয়া ও অসাধু চক্রগুলির অন্দরে এখন থেকেই চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।