সনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ খারিজ, আদালত বললেন ‘মিথ্যা’

ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ নিয়ে যখন রাহুল গান্ধীর বক্তব্য সামনে আসে, তখনই পাল্টা আক্রমণে নামে বিজেপি। দলের আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য দাবি করেন, সোনিয়া গান্ধী ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই তার নাম দেশের ভোটার তালিকায় ছিল। কিন্তু এই অভিযোগ নিয়ে আদালতে দায়ের করা একটি মামলা বৃহস্পতিবার খারিজ হয়ে গেছে।
মামলাকারী আদালতে সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের জন্য এফআইআর দায়ের করার অনুমতি চেয়েছিলেন। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট তার এই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সোনিয়া গান্ধী নাগরিকত্ব পাওয়ার তিন বছর আগেই তার নাম ভোটার তালিকায় ছিল— এমন দাবি মিথ্যা এবং এর কোনো ভিত্তি নেই।
বিজেপির দাবি: ১৯৮০ সালেই ভোটার ছিলেন সোনিয়া!
সামাজিক মাধ্যমে অমিত মালব্য একটি নথি প্রকাশ করে দাবি করেন, ১৯৮০ সালে সোনিয়ার নাম প্রথমবার ভোটার তালিকায় ওঠে। ওই সময় তিনি ইতালির নাগরিক ছিলেন এবং ভারতের নাগরিকত্ব নেননি। মালব্য আরও দাবি করেন, সমালোচনার মুখে তখন তার নাম মুছে দেওয়া হলেও ১৯৮৩ সালে তা আবার ফিরে আসে। অমিতের মতে, সোনিয়া ১৯৮৩ সালের ১ জানুয়ারি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন, কিন্তু ভারতের নাগরিকত্ব পান সেই বছরের ৩০ এপ্রিল।
তবে কংগ্রেস এই অভিযোগগুলো বরাবরই এড়িয়ে গেছে। অমিত মালব্য যে নথি প্রকাশ করেছিলেন, কংগ্রেস তার ত্রুটি তুলে ধরলেও বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব দেয়নি। এই মামলা খারিজ হওয়ার পর বিজেপি-র অভিযোগ আরও একবার প্রশ্নবিদ্ধ হলো।