মা-এর হাতের স্বাদ এবার বিদেশের মাটিতে! নাসার প্রযুক্তিতে ঘরে ঘরে পৌঁছাচ্ছে ‘মম্মি কা খানা’।

বিদেশে পড়তে যাওয়া বা কাজ করতে যাওয়া ভারতীয়দের কাছে সবচেয়ে বড় আক্ষেপ হলো ঘরের তৈরি খাবারের অভাব। তবে মাইক্রোবায়োলজির ছাত্রী শ্রেয়া শাহ এবং তাঁর মতো অসংখ্য উদ্যোক্তা এই সমস্যার সমাধান করে ফেলেছেন। নাসার উন্নত ‘ফ্রিজ-ড্রাইং’ এবং প্রফেশনাল ডিহাইড্রেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন ডাল, কারি, খিচুড়ি কিংবা মখনির মতো প্রিয় খাবারগুলো শুকিয়ে পাউডার বা ক্রিস্পি আকারে তৈরি করা হচ্ছে।
ভ্যাকুয়াম-সিল করা এই খাবারের প্যাকেটগুলো সহজে বহনযোগ্য, কাস্টমসে কোনো ঝামেলা হয় না এবং মাত্র এক কাপ গরম জল মেশালেই তা ফিরে পায় ‘মায়ের হাতের’ অকৃত্রিম স্বাদ। শ্রেয়া জানান, খাবারের আর্দ্রতা বা জলীয় অংশ বের করে দেওয়ায় কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ ছাড়াই এই খাবার এক বছর বা তারও বেশি সময় অক্ষত থাকে। বর্তমানে মুম্বাই, দিল্লি ও আমদাবাদের মতো শহরে ছোট ছোট ফ্যাক্টরিতে গড়ে উঠেছে এই কটেজ ইন্ডাস্ট্রি, যারা প্রায় ১৪ লক্ষ প্রবাসী ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের পুষ্টিকর ও ঘরে তৈরি খাবারের চাহিদা মেটাচ্ছে।
সাধারণ ডিহাইড্রেশন পদ্ধতিতে গরমের ব্যবহার হলেও, ফ্রিজ-ড্রাইং পদ্ধতিতে খাবারকে জমিয়ে ভ্যাকুয়াম চেম্বারে রাখা হয়, ফলে খাবারের স্বাদ, গঠন এবং পুষ্টিগুণ একদম অটুট থাকে। আলফনসো আমের পাল্প হোক বা প্রিয় पाव भाजी—এই প্রযুক্তির দৌলতে এখন প্রবাসীরাও ঘরের খাবারের স্মৃতিতে ডুব দিতে পারছেন অনায়াসেই।