মানহানির মামলায় বড় বদল! জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলার শুনানিতে ইঙ্গিত সুপ্রিম কোর্টের!

মানহানির মামলাকে ফৌজদারি অপরাধের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে—এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) এক অধ্যাপিকার দায়ের করা মানহানির মামলার শুনানিতে বিচারপতি এমএম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণটি করে। বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, “মনে হয় মানহানির মামলাকে অপরাধের তকমামুক্ত করার সময় এসে গিয়েছে। আর কতদিন এটাকে এই ভাবে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে?”
ঠিক কী ঘটেছিল?
২০১৬ সালে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে জেএনইউ-এর অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা অমৃতা সিংহ মানহানির মামলা দায়ের করেন। প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয় যে, অধ্যাপিকা একটি শিক্ষকদলের নেতৃত্ব দিয়ে জেএনইউ সম্পর্কে একটি ২০০ পৃষ্ঠার নথি (ডসিয়ার) প্রস্তুত করেছেন। সেই নথিতে বিশ্ববিদ্যালয়কে “সাংগঠনিক যৌন র্যাকেটের আখড়া” এবং “বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের আখড়া” বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।
২০১৭ সালে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নিন্ম আদালত ওই সংবাদমাধ্যমকে তলব করে। এরপর দিল্লি হাইকোর্ট হয়ে বর্তমানে অভিযুক্ত অনলাইন সংবাদমাধ্যমটি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। এই মামলার শুনানিতেই সুপ্রিম কোর্ট মানহানির মামলাকে ফৌজদারি অপরাধের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পক্ষে নিজেদের অভিমত জানিয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ ভারতীয় আইনি ব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।