মহালয়ার দিনে কী কী করলে সৌভাগ্য আসবে? জেনে নিন জ্যোতিষীর পরামর্শ

২১ সেপ্টেম্বর, মহালয়া। এই পবিত্র তিথিতে পিতৃপক্ষের সমাপ্তি ঘটে এবং দেবীপক্ষের সূচনা হয়। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ করা হয়, যা তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বহু বাঙালি পরিবার ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্র পাঠ করেন, যা দেবী দুর্গার জন্ম এবং মহিষাসুরের ওপর তাঁর বিজয়ের কাহিনি বর্ণনা করে।
মহালয়ার দিনে যে কাজগুলো করা শুভ
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, মহালয়ার দিনে কিছু বিশেষ কাজ করলে ভাগ্য ফেরে এবং জীবনে সুখ-শান্তি আসে। জ্যোতিষী রাহুল দে এই বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন:
দান-ধ্যান: এই দিনে দরিদ্র ও অভাবী মানুষদের দান করা অত্যন্ত শুভ। তাদের খাবার ও বস্ত্র দান করলে দেবীর আশীর্বাদ পাওয়া যায় এবং সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় থাকে।
পশুপাখিকে খাবার দেওয়া: রাস্তায় পশুপাখিকে খাবার দেওয়াও খুব শুভ। এটি করলে সংসারে অভাব দেখা দেয় না।
ধর্মীয় কাজ: এই দিনে বিষ্ণুর নাম জপ করা ভালো। এছাড়াও রামায়ণ, মহাভারত বা গীতা পাঠ করাও অত্যন্ত পূণ্যের কাজ বলে মনে করা হয়।
ব্রাহ্মণ ও শিশুদের সেবা: যদি সম্ভব হয়, এই দিনে বাড়িতে পাঁচ বা সাতজন ব্রাহ্মণকে নিমন্ত্রণ করে তাঁদের সেবা করুন। শিশুদেরও নিমন্ত্রণ করে খাওয়ালে পূণ্যলাভ হয়।
মহালয়ার দিনে যে কাজগুলো করা উচিত নয়
জ্যোতিষী রাহুল দে মহালয়ার দিনে কিছু কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন:
চুল-দাড়ি ও নখ কাটা: এই পবিত্র দিনে চুল, দাড়ি বা নখ কাটা একেবারেই উচিত নয়।
টাকার লেনদেন: এই দিনে কাউকে কিছু ধার দেওয়া বা কারও থেকে ধার নেওয়া উচিত নয়।
মাঙ্গলিক কাজ: মহালয়ার দিনে কোনো মাঙ্গলিক বা শুভ কাজ করা এড়িয়ে চলুন।
দরিদ্রকে খালি হাতে ফেরানো: বাড়িতে কোনো দরিদ্র বা অভাবী ব্যক্তি এলে তাঁকে কখনোই খালি হাতে ফেরানো উচিত নয়। দান করলে পুণ্য লাভ হয়।