ভোরেই রক্তস্নাত হায়দরাবাদ! নাবালিকার অভিযোগকারীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য

হায়দরাবাদের রাঙ্গারেড্ডি জেলার শাবাদ মণ্ডলের দৈবলগুড়ায় এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সমগ্র দেশ স্তম্ভিত। পকসো মামলায় জামিন পাওয়ার পরপরই রাজকুমার (২৮) নামক এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী নাবালিকা, তার মা, দিদা এবং নিজের স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তানসহ মোট ৬ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। শনিবার ভোররাতে এই ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ মে ওই নাবালিকার মা রাজকুমারের বিরুদ্ধে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রাজকুমারকে গ্রেফতার করে পকসো আইনে মামলা দায়ের করেছিল। কিছুদিন জেলে থাকার পর সম্প্রতি সে জামিনে মুক্তি পায়। জামিনে মুক্ত হওয়ার পরেই রাজকুমার এই নারকীয় কাণ্ড ঘটায়।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পকসো মামলার প্রতিশোধ নিতেই সে নাবালিকা, তার মা এবং দিদাকে খুন করেছে। কিন্তু নিজের স্ত্রী সরিতা এবং দুই শিশুসন্তানকে কেন সে খুন করল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত নিজেই তার বাবা-মাকে ফোন করে বিষয়টি জানায়। পরে তার বাবা-মায়ের কাছ থেকেই খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কমিশনার তরুণ যোশী এবং ডেপুটি কমিশনার যোগেশ গৌতমের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত রাজকুমারকে গ্রেফতার করে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং অভিযুক্তের কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছেন মৃতের আত্মীয়রা। পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।