পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার নির্বাচনে ৯০ শতাংশের বেশি রেকর্ড ভোট পড়ার পর রাত গড়াতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল মেখলিগঞ্জ বিধানসভার হলদিবাড়ি। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সেক্টর অফিসারের গাড়িতে ‘অতিরিক্ত’ ইভিএম মেশিন পাওয়াকে কেন্দ্র করে ইভিএম বদলের আশঙ্কায় সরব হয় বিজেপি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হলদিবাড়ি শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বালাডাঙা জুনিয়র বেসিক স্কুলের সামনে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়।
বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, কোনো কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছাড়াই সেক্টর অফিসার ইভিএম নিয়ে বুথের দিকে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান মেখলিগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায় এবং বিজেপি নেতা অর্ঘ্য রায় প্রধান। তাঁদের দাবি, রাতের অন্ধকারে ইভিএম বদলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর ইভিএম মেশিনটি পরীক্ষার জন্য ডিসিআরসি-তে (DCRC) নিয়ে যাওয়া হয় এবং বিজেপি প্রার্থী নিজে গাড়ির পিছু ধাওয়া করে ডিসিআরসি পর্যন্ত যান।
অন্যদিকে, মেখলিগঞ্জের ডিসিআরসি সেন্টারে এক বিজেপি নেতার প্রবেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা প্রভাত পাটনি। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া এক বিজেপি নেতা কোনো পরিচয়পত্র ছাড়াই সংরক্ষিত এলাকায় ঢুকেছিলেন। এই নিয়ে পুলিশ আধিকারিক ও তৃণমূল নেতার মধ্যে তীব্র কাজিয়া শুরু হয়। বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায় পাল্টা অভিযোগে জানান, পরাজয় নিশ্চিত জেনে তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে।





