আইসিএসই (ICSE) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হতেই খুশির জোয়ার গঙ্গার ধারের ঐতিহ্যবাহী শহর চন্দননগরে। সারা দেশের মেধাতালিকায় নিজেদের নাম উজ্জ্বল করে খবরের শিরোনামে উঠে এল চন্দননগরের দুই মেধাবী ছাত্রী ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং সুচেতনা মণ্ডল। একই স্কুলের এই দুই সহপাঠীই পেয়েছে অবিশ্বাস্য ৯৯.০৪ শতাংশ নম্বর। তাদের এই নজরকাড়া সাফল্যে গর্বিত শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে গোটা জেলা।
সাফল্যের যুগলবন্দী: চন্দননগরের সেন্ট জোসেফ কনভেন্টের ছাত্রী ইন্দিরা ও সুচেতনা শুরু থেকেই ছিল পড়াশোনায় তুখোড়। তবে রেজাল্ট বেরোনোর পর দেখা গেল শুধু সাফল্য নয়, নম্বরের অঙ্কেও তারা একে অপরকে ছাপিয়ে গেছে এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধনে। দুজনেই ৯৯.০৪ শতাংশ নম্বর পেয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে যে, সঠিক পরিকল্পনা আর একাগ্রতা থাকলে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো কেবল সময়ের অপেক্ষা।
কীভাবে এল এই সাফল্য? ইন্দিরা এবং সুচেতনা দুজনেই জানিয়েছে, পাঠ্যবইয়ের ওপর দখল রাখা এবং নিয়মিত অনুশীলনী সমাধান করাই ছিল তাদের প্রধান হাতিয়ার। তবে শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যা নয়, পড়াশোনার পাশাপাশি গান, ছবি আঁকা এবং গল্পের বই পড়ার শখও বজায় রেখেছিল তারা। তাদের কথায়, “ঘড়ি ধরে ১০-১২ ঘণ্টা পড়ার চেয়ে মনোযোগ দিয়ে কয়েক ঘণ্টা পড়াই বেশি কার্যকর হয়েছে।” বাড়ির বড়দের অনুপ্রেরণা এবং স্কুলের শিক্ষকদের সঠিক দিশানির্দেশ এই দীর্ঘ লড়াইয়ে তাদের অক্সিজেন জুগিয়েছে।
ভবিষ্যৎ লক্ষ্য: আইসিএসই-র এই বিশাল সাফল্য কেবল শুরু। ইন্দিরা এবং সুচেতনা দুজনেই ভবিষ্যতে বিজ্ঞান নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। একজন হতে চায় গবেষক, অন্যজন স্বপ্ন দেখে চিকিৎসার মাধ্যমে মানুষের সেবা করার। চন্দননগরের অলিতে গলিতে এখন শুধুই এই দুই কন্যার জয়গান। রেজাল্ট আসার পর থেকেই মিষ্টিমুখ আর শুভেচ্ছাবার্তায় ভাসছে তাদের পরিবার।
বাংলার এরকম আরও অনুপ্রেরণামূলক মেধার গল্প এবং শিক্ষার সব খবর সবার আগে পেতে আজই ফলো করুন ডেইলিয়ান্ট। এই কৃতিদের অভিনন্দন জানাতে খবরটি শেয়ার করুন আপনার ওয়ালে।





