২০২৬-এর হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদের রাজনীতির অলিন্দে এখন সবথেকে বেশি চর্চিত নাম হুমায়ুন কবীর। নিজের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP) গড়ে এবার তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন প্রাক্তন দলের দিকেই। ভোট মিটতেই এখন জোর জল্পনা— নওদা এবং রেজিনগর, এই দুই আসনেই যদি তিনি জয়লাভ করেন, তবে কোন আসনটি নিজের দখলে রাখবেন তিনি? অবশেষে সেই রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন স্বয়ং হুমায়ুন।
দুই আসনেই জয়ের হুঙ্কার: ভোট পরবর্তী বিশ্লেষণে হুমায়ুন কবীর দাবি করেছেন, নওদা এবং রেজিনগর—উভয় কেন্দ্রেই সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব সমর্থন পেয়েছেন তিনি। তার মতে, এবার মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে কোনো একক দলের আধিপত্য থাকবে না। দুই আসনেই তার জয় কেবল সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী দুটি আসনে জয়ী হলে তাকে একটি আসন ছেড়ে দিতে হয়। সেই সমীকরণেই এবার বড় ইঙ্গিত দিলেন তিনি।
মন কোথায় পড়ে আছে? কোনটি ছাড়বেন আর কোনটি রাখবেন—এই প্রশ্নের উত্তরে হুমায়ুন কবীর জানান, রেজিনগর এবং নওদা দুই কেন্দ্রই তার অত্যন্ত প্রিয়। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রেজিনগরের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের আত্মিক যোগ এবং সেখানকার মানুষের আবেগকে তিনি বেশি গুরুত্ব দিতে পারেন। যদিও সরাসরি কোনো একটির নাম নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা না করলেও, তার কথায় আভাস পাওয়া গেছে যে, এলাকার উন্নয়ন যেখানে বেশি জরুরি, সেই মাটিকে তিনি আগলে রাখবেন।
কিংসমেকার হওয়ার স্বপ্ন: শুধুমাত্র নিজের জয় নয়, হুমায়ুন কবীরের দাবি—এবারের নির্বাচনে রাজ্যে কোনো সরকারই তার সমর্থন ছাড়া গঠিত হতে পারবে না। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ এবং মালদহে সংখ্যালঘু ভোটের মেরুকরণ যেভাবে তার দলের দিকে ঝুঁকেছে, তাতে শাসক ও বিরোধী—উভয় শিবিরের কপালেই চিন্তার ভাঁজ স্পষ্ট।
ভোটের ফলপ্রকাশের পর হুমায়ুন কবীর ঠিক কোন পথে হাঁটেন এবং তার এই আত্মবিশ্বাস শেষ পর্যন্ত ইভিএমে কতটা প্রতিফলিত হয়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য। মুর্শিদাবাদের প্রতিটি রাজনৈতিক আপডেট সবার আগে পেতে ফলো করুন ডেইলিয়ান্ট। খবরটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।





