রাত পোহালেই বাংলায় প্রথম দফার মহারণ। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে যখন নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন প্রার্থীরা, তখন অনেক ভোটারই পড়েছেন বিপাকে। কারণ? ড্রয়ারে বা মানিব্যাগে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না পরম কাঙ্ক্ষিত ‘ভোটার কার্ড’টি। কিন্তু কুছ পরোয়া নেহি! ভোটার কার্ড না থাকলেও আপনি আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
তালিকায় নাম থাকলেই কেল্লাফতে! ভোট দেওয়ার প্রধান শর্ত ভোটার কার্ড (EPIC) নয়, বরং ভোটার তালিকায় আপনার নাম থাকা। যদি তালিকায় আপনার নাম থাকে, তবে কার্ড হারিয়ে গেলেও চিন্তা নেই। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার কার্ডের বদলে ১২টি বিকল্প সরকারি পরিচয়পত্রের যেকোনো একটি দেখিয়ে আপনি ভোট দিতে পারবেন।
বিকল্প পরিচয়পত্রের তালিকা:
আধার কার্ড
প্যান কার্ড
পাসপোর্ট
ড্রাইভিং লাইসেন্স
ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের ছবিসহ পাসবুক
রাজ্য বা কেন্দ্র সরকারের দেওয়া সার্ভিস আইডি কার্ড
পেনশনের নথি (ছবিসহ)
মনরেগা জব কার্ড
মনে রাখুন ‘পার্ট নম্বর’ ও ‘সিরিয়াল নম্বর’ ভোটার কার্ড ছাড়াই ভোট দিতে হলে আপনার সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে দুটি তথ্য— পার্ট নম্বর (Part Number) এবং সিরিয়াল নম্বর (Serial Number)। বুথে গিয়ে এই দুটি নম্বর দিলে ভোটকর্মীরা সহজেই আপনার নাম খুঁজে পাবেন। এই নম্বর জানতে আপনি আপনার এলাকার বিএলও (BLO)-র সাহায্য নিতে পারেন অথবা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে নিজের নাম সার্চ করে জেনে নিতে পারেন।
ডিজিটাল কার্ডের সুবিধাও আছে চাইলে আপনি শেষ মুহূর্তে ডিজিটাল ভোটার কার্ড বা e-EPIC ডাউনলোড করে নিতে পারেন। নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল পোর্টাল voters.eci.gov.in অথবা ভোটার হেল্পলাইন অ্যাপে গিয়ে আপনার এপিক নম্বর দিলেই ফোনে চলে আসবে ডিজিটাল কার্ড।
তবে মনে রাখবেন, ভোটার কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি। ভোট মিটে গেলেই এটি পুনরায় পাওয়ার জন্য আবেদন করুন। আপাতত দুশ্চিন্তা ছেড়ে পছন্দের নথিটি পকেটে ভরে কাল সকালেই পৌঁছে যান ভোটকেন্দ্রে!





