আগামী দ্বিতীয় দফার নির্বাচনকে সামনে রেখে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে কমিশন। আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশি অভিযানে গত ৩৬ ঘণ্টায় রাজ্যে মোট ১৫৪৩ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধুমাত্র রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকালের মধ্যেই ১০৯৫ জনকে জালে তুলেছে পুলিশ। গ্রেফতারির নিরিখে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব বর্ধমান (৪৭৯ জন), যেখানে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল কাউন্সিলর নারু ভগত। এছাড়া উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং কলকাতা থেকেও বহু দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নজরদারিতে আধুনিক প্রযুক্তি:
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির ওপর সবথেকে বেশি জোর দিচ্ছে প্রশাসন। উত্তর কলকাতার ঘিঞ্জি এলাকায় ২৭০টি এবং দক্ষিণ কলকাতায় ৪৫৮টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, ক্যামেরা ১০ মিনিটের বেশি বন্ধ থাকলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে QRT (Quick Response Team) পৌঁছাবে। কলকাতা পুলিশের অধীনে সর্বোচ্চ ২২৯টি কিউআরটি এবং ৫৭টি করে ফ্লাইং স্কোয়াড (FST) ও স্ট্যাটিক সার্ভেলেন্স টিম (SST) মোতায়েন করা হচ্ছে।
অশান্তি রুখতে সিইও-র কড়া বার্তা:
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল কাকদ্বীপের সর্বদল বৈঠকে কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, ভোটের দু’দিন আগে থেকে রাজ্যে বাইক চলাচল নিষিদ্ধ। বাইক নিয়ে কোনো প্রকার ‘মাতব্বরি’ বা ভোট চুরি বরদাস্ত করা হবে না। এছাড়া আবাসন বা হাইরাইজ বিল্ডিংগুলোতে বাইরের বিধানসভার কেউ থাকলে বা কর্মরত পরিচারকদের তথ্য বিল্ডিং কর্তৃপক্ষকে আগেভাগে জমা দিতে হবে। প্রতিটি বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।





