রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বড়সড় সুখবর শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদের সূতির জনসভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে আবেদনকারীদের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। খুব শীঘ্রই প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।
“কারও কাছে হাত পাততে হবে না”
এদিন সূতির ছাপঘাটি কেডি হাইস্কুল মাঠে তৃণমূল প্রার্থী ইমানী বিশ্বাস ও রঘুনাথগঞ্জের প্রার্থী আখরুজ্জামানের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় তিল ধারণের জায়গা ছিল না। ভিড়ের সিংহভাগই ছিল তরুণ প্রজন্ম। তাঁদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যুবসাথী ভাই-বোনদের জন্য এই অর্থ মূলত হাতখরচ। এর জন্য কাউকে আর কারও কাছে হাত পাততে হবে না।” তিনি আরও জানান, আবেদন প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত টাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
লক্ষ্য কর্মসংস্থান
শুধুমাত্র আর্থিক সাহায্য নয়, ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান নিয়েও আশার বাণী শুনিয়েছেন মমতা। তিনি জানান, তরুণ প্রজন্মের আর্থিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার একাধিক নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে। বিরোধীদের সমালোচনাকে উড়িয়ে দিয়ে তাঁর মন্তব্য, “যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই বেশি সমালোচনা হয়। তবে মানুষের আশীর্বাদ থাকলে কোনও বাধাই টিকতে পারে না।”
উচ্ছ্বসিত তরুণ প্রজন্ম
মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেই সভাস্থলে উপস্থিত যুবক-যুবতীদের মধ্যে উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে। সভা শেষে অনেক আবেদনকারীই জানান, তাঁরা ইতিমধ্যেই নাম নথিভুক্ত করেছেন এবং নবান্নের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের ঘোষণা তাঁদের দুশ্চিন্তা অনেকটাই দূর করল।
উন্নয়নই তুরুপের তাস
ভাষণে কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এবং রূপশ্রীর মতো জনমুখী প্রকল্পগুলির সাফল্যের কথা তুলে ধরে মমতা দাবি করেন, বাংলার মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবেন। সূতি ও রঘুনাথগঞ্জের প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জেতানোর আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ঘরের ছেলেদের পাশে থাকলেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।





