“ভেন্টিলেটর অফ করে দিয়েছে যেন!” নীলমের চিঠি ছেঁড়া নিয়ে ‘বাড়াবাড়ি’ করতে বারণ করলেন কাম্যা পাঞ্জাবি, দিলেন কড়া বার্তা

Bigg Boss 19-এর ক্যাপ্টেনসি টাস্কে ফারহানা ভাট যখন নীলম গিরির পরিবারের পাঠানো চিঠিটি ছিঁড়ে ফেলেন, তখন পুরো হাউস যেন ক্ষোভে ফেটে পড়ে। বাড়ির সদস্যরা একযোগে ফারহানার এই স্বার্থপর সিদ্ধান্তের জন্য তাঁর তীব্র সমালোচনা করতে শুরু করেন। কিন্তু পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হয়, যখন আমাল মালিক রাগের মাথায় ফারহানার প্লেট কেড়ে নিয়ে খাবার ছুঁড়ে ফেলে দেন এবং ফারহানা ও তাঁর মাকে ‘B-grade’ বলে আক্রমণ করেন। এবার প্রাক্তন Bigg Boss প্রতিযোগী কাম্যা পাঞ্জাবি আমাল মালিকের এই আচরণের তীব্র নিন্দা করেছেন এবং ঘরের বাকি সদস্যদের অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, এটা ছিল একটা ‘টাস্ক’, জীবন-মৃত্যুর মতো ‘সিচুয়েশন’ নয়।
“নীলম কা লেটার আন্দোলন”: কাম্যার কটাক্ষ
Bigg Boss 19 নিয়ে প্রায়শই নিজের মতামত প্রকাশ করা কাম্যা পাঞ্জাবি, ফারহানা ভাটের হাতে নীলম গিরির চিঠি ছেঁড়ার ঘটনা প্রসঙ্গে হাউসম্যাটদের আচরণের কড়া সমালোচনা করেছেন।
তিনি ঘর-সদস্যদের বাড়াবাড়িকে ব্যঙ্গ করে লেখেন, “নীলম বাঁচাও আন্দোলন-এ কে কে ঘর চলে গেল, তাড়াতাড়ি বলো! আর এখন নীলম কা লেটার আন্দোলন শুরু হয়েছে! আরে, এটা টাস্ক ছিল, টাস্ক! লাইফ অ্যান্ড ডেথ সিচুয়েশন নয়… চিঠিটা এমনভাবে ছিঁড়েছে যেন ভেন্টিলেটর অফ করে দিয়েছে!”
কাম্যা পাঞ্জাবি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ঘরের সদস্যরা এই ঘটনাকে অযথা অতিরিক্ত নাটকীয় করে তুলছেন।
ফারহানার পক্ষে সওয়াল করলেন কাম্যা
অন্য একটি পোস্টে কাম্যা সরাসরি ফারহানাকে সমর্থন করেন। তিনি বলেন, “দিওয়ালির সময় বাড়ির লোকের চিঠি কতটা গুরুত্বপূর্ণ, আমি জানি…। আমি নীলমকে বলতে শুনেছিলাম “কেউ তো ছিঁড়ো, না হলে ক্যাপ্টেন একই থাকবে।” আর দেখো, ওর সঙ্গেই এটা ঘটে গেল! কারোর কাছে চিঠি গুরুত্বপূর্ণ, আর কারোর কাছে ক্যাপ্টেনসি। আমি ফারহানাকে দোষ দিই না, এটা একটা গেম।”
কাম্যা বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন, Bigg Boss একটি খেলা এবং ফারহানা খেলার নিয়ম মেনেই ক্যাপ্টেন হওয়ার সুযোগকে বেছে নিয়েছেন।
আমাল মালিকের উপর ক্ষোভ
তবে আমাল মালিকের আচরণ নিয়ে কাম্যা আরও বেশি ক্ষুব্ধ। খাবারের প্লেট কেড়ে নিয়ে খাবার ফেলে দেওয়া এবং ফারহানার পরিবারকে টেনে এনে ‘B-grade’ বলার মতো মন্তব্য করার জন্য কাম্যা আমালের তীব্র সমালোচনা করেছেন। কাম্যা মনে করিয়ে দেন, খেলায় যাই ঘটুক না কেন, কাউকে ব্যক্তিগতভাবে বা তাঁর পরিবারকে অপমান করাটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমাল তাঁর এই আচরণের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনার শিকারও হয়েছেন।