‘বাসের টায়ার ফাটার শব্দ’, কিন্তু আঁতকে উঠল দিল্লি! লালকেল্লা বিস্ফোরণের রেশে মহিপালপুরে হুলস্থুল

সোমবার লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর, বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির মহিপালপুর এলাকায় রাডিসন হোটেলের কাছে বিকট শব্দে ফের আতঙ্ক ছড়াল। স্থানীয়রা এটিকে বিস্ফোরণের শব্দ বলে মনে করায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। তবে পরে দিল্লি পুলিশ জানায়, আসলে একটি বাসের টায়ার ফাটার কারণেই ওই বিকট শব্দ শোনা গিয়েছিল।

দমকল বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টা ১৮ মিনিট নাগাদ তারা একটি ফোন কল পান। সঙ্গে সঙ্গে দমকলের ৩টি ইঞ্জিন রাডিসন এলাকায় পৌঁছয়। দিল্লি পুলিশও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে। কিন্তু সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি।

ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (দক্ষিণ-পশ্চিম), অমিত গোয়েল জানান, গুরুগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন এমন এক মহিলা ফোন করে এই শব্দ শোনার খবর দেন। পুলিশ তৎক্ষণাৎ এলাকায় পৌঁছয় এবং সমস্ত কিছু পরীক্ষা করে দেখে।

তদন্তকারী এক অফিসার ডিসিপি-কে জানান, ধৌলা কুঁয়ার দিকে যাওয়া একটি বাসের পিছনের টায়ার ফেটে যাওয়ার কারণেই শব্দটি হয়েছিল। বিকট শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং চিন্তার কিছু নেই।

লালকেল্লা বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা ১৩, চালক নিশ্চিত

এদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩। বৃহস্পতিবার পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত হুন্ডাই i20 গাড়িটি চালাচ্ছিল কাশ্মীরের চিকিৎসক উমর উন নবি। গত মঙ্গলবার উমরের মায়ের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বিস্ফোরণস্থল থেকে সংগৃহীত দেহাবশেষের ডিএনএ পরীক্ষার সঙ্গে উমরের মায়ের ডিএনএ মিলে যাওয়ায় তদন্তকারীরা নিশ্চিত হন যে উমর মহম্মদের মৃত্যু হয়েছে।