বায়ু দূষণ মোকাবিলায় ‘ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি’ জরুরি, আতশবাজি নিয়ে কেন নীতি বদলের ইঙ্গিত দিল সুপ্রিম কোর্ট?

দিল্লি-এনসিআর-এ (Delhi-NCR) আতশবাজি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট বায়ু দূষণ সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট একটি আংশিক স্বস্তি দিল। আদালত সবুজ আতশবাজি প্রস্তুতকারকদের বাজি তৈরির অনুমতি দিয়েছে। তবে, বর্তমানে আতশবাজি বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়নি।
প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি কে. বিনোদ চন্দ্রন এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জনারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এমসি মেহতা মামলায় এই আদেশ দেন।
বিক্রির সিদ্ধান্ত কবে?
বর্তমানে কেবল সবুজ বাজি তৈরির অনুমতি দেওয়া হলেও, বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেই বিষয়ে আদালত পরে সিদ্ধান্ত নেবে।
পরবর্তী শুনানি: বাজি বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা নির্ধারণ করতে ৮ অক্টোবর পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
‘ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি’ প্রয়োজন
দিল্লি-এনসিআর-এ বায়ু দূষণ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের পূর্বের আদেশের কারণে আতশবাজি তৈরি, সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ছিল। তবে, আদালত আজ শুনানির সময় জানিয়েছে যে আতশবাজির উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবসম্মত নয় এবং বাস্তবায়ন করা অসম্ভব।
আদালত বিহারের উদাহরণ তুলে ধরে জানায় যে, সেখানে খনিজ উত্তোলন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করার ফলে অবৈধ খনিজ মাফিয়াদের উত্থান ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে, দিল্লি এনসিআর-এ আতশবাজি সম্পর্কে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন।
সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে যে, দিল্লি-এনসিআর-এ বাজি তৈরি ও ব্যবহার সংক্রান্ত একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি প্রণয়নের জন্য সকল অংশীদারদের সাথে পরামর্শ করা হোক এবং এই বিষয়ে একটি হলফনামা দাখিল করা হোক।
আপনার কি মনে হয় শুধুমাত্র সবুজ আতশবাজির ব্যবহার দিল্লি-এনসিআর-এর বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে?