পুজোর আগে বিরাট স্বস্তি পেলেন কারামন্ত্রী, তবুও ED দফতরে হাজিরা! হাইকোর্টে ধাক্কা খেল মোদি সরকার

উৎসবের আবহেই দেশজুড়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনি ঘটনার শিরোনামে। লেহ-র হিংসার ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা আইনে (NSA) গ্রেফতার করা হলো আন্তর্জাতিক খ্য়াতিসম্পন্ন গবেষক-ইঞ্জিনিয়র ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে। লেহ-তে গ্রেফতারের পর তাঁকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে রাজস্থানের যোধপুরে।

অন্যদিকে, কলকাতা হাইকোর্টের এক নজিরবিহীন নির্দেশে বড়সড় ধাক্কা খেল কেন্দ্রীয় সরকার। পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুতে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ সরাসরি নির্দেশ দিয়েছে— ৪ সপ্তাহের মধ্যে সোনালি বিবি-সহ বীরভূমের দুই পরিবারের ৬ জনকে বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে পশ্চিমবঙ্গে। হাইকোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছিল যে বেআইনিভাবে কাউকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়নি, যা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, ফিরিয়ে আনার কাজ কেন্দ্রীয় সরকারকেই করতে হবে।

রাজনীতিতে পুজো: ‘সোনার বাংলা’ বিতর্ক
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে এটাই শেষ দুর্গাপূজা। স্বভাবতই, এবারের উৎসবেও লেগেছে রাজনীতির রং। গতকাল কলকাতায় পুজো উদ্বোধনে এসে পরিচিত ভঙ্গিতে, ফের ‘সোনার বাংলা’ গড়ার ডাক দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

শাহের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির এই দুরবস্থা কেন? সেই রাজ্যগুলি কেন সোনার রাজ্য হয়ে উঠছে না?

নিয়োগ দুর্নীতি: স্বস্তি পেলেন মন্ত্রী, তবু ইডি-র আনাগোনা
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিন্হা পুজোর আগে আদালত থেকে বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন। বুধবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ আদালত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) জামিন বাতিলের আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে মন্ত্রীর অন্তর্বর্তী জামিনের নির্দেশ বহাল থাকায় পুজোর মুখে তিনি কিছুটা স্বস্তি পান।

যদিও আইনি স্বস্তি সত্ত্বেও ED দফতরে মন্ত্রীর আসা-যাওয়া চলছেই। বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবারও প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ED দফতরে হাজিরা দেন কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিন্হা।