লোকসভা নির্বাচনের মুখে শহরজুড়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সির ম্যারাথন তল্লাশি। শুক্রবার সকাল থেকেই মার্লিন গ্রুপের আর্থিক জালিয়াতি মামলার সূত্রে কলকাতার ৬টি জায়গায় একযোগে অভিযানে নেমেছে আয়কর দপ্তর ও ইডি। এই অভিযানের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার। তাঁর বাড়ি থেকে শুরু করে নির্বাচনী কার্যালয় এবং কাউন্সিলর অফিস—কিছুই বাদ দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা।
তদন্তকারীদের দাবি, জমি ও ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় মার্লিন গ্রুপ একাধিক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার প্রক্রিয়া চালিয়েছিল। এই লেনদেনের সূত্র ধরেই দেবাশিস কুমারের যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিন সকালে দেবাশিস কুমারের উপস্থিতিতেই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি শুরু হয়। এরপর মোতিলাল নেহরু রোডের কাউন্সিলর অফিস, যা বর্তমানে বালিগঞ্জ বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেখানেও হানা দেয় আয়কর কর্তারা।
যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, নির্বাচনের রণকৌশল বা ‘ব্লু-প্রিন্ট’ চুরি করতেই বিজেপি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে। ৮৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি অশোক কুমার দাসের দাবি, কার্যালয় থেকে কোনো নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি, কেবল প্রচারমূলক নথিপত্র পরীক্ষা করে আধিকারিকরা বেরিয়ে গিয়েছেন। তবে ভোটের ঠিক আগে এই সাঁড়াশি অভিযানে রীতিমতো অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির।





