নতুন ভোরেই হুঙ্কার মমতার! নববর্ষের শুভেচ্ছার আড়ালে কার বিরুদ্ধে ‘বদলা’ নেওয়ার ডাক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

নতুন বছরের শুরুতেই উৎসবের আমেজ ছাপিয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রীর কড়া রাজনৈতিক বার্তায়। পয়লা বৈশাখের সকালে রাজ্যবাসীকে ‘শুভ নববর্ষ’ জানানোর পাশাপাশি এক বিশেষ বিপ্লবের ডাক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গলায় শোনা গেল প্রতিবাদের সুর। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, “আসুন আমরা নতুন ভোরের সূচনা করি! অত্যাচারের বদলা নিন।”
সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন মমতা?
বুধবার সকালে টুইট (X) এবং ফেসবুকে বাংলার জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, নতুন বছর যেন সবার জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনে। তবে শুভেচ্ছার রেশ কাটতে না কাটতেই তাঁর বার্তার শেষাংশ নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি সরাসরি সাধারণ মানুষকে জোটবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিখেছেন, “অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। আসুন আমরা শপথ নিই এক নতুন ভোরের।”
কার দিকে ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর?
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, ২০২৬-এর উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা এবং এজেন্সি রাজের বিরুদ্ধেই নাম না করে তোপ দেগেছেন তৃণমূল নেত্রী। ‘অত্যাচারের বদলা’ নেওয়ার কথা বলে তিনি আদতে সাধারণ মানুষকে ভোটের ময়দানে জবাব দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
চৈত্রের দহন ছাপিয়ে রাজনীতির উত্তাপ
সাধারণত নববর্ষের দিনটিতে সৌজন্যের রাজনীতি দেখা যায় বাংলায়। কিন্তু শুভঙ্কর দাসের এই রিপোর্ট অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘বদলা’ নেওয়ার ডাক সেই প্রথায় বড়সড় পরিবর্তন আনল। বিরোধীরা অবশ্য পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে বলছে, উৎসবের দিনেও ‘বদলা’র কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী হিংসাকে উসকে দিচ্ছেন।
বিশেষ হাইলাইট: মুখ্যমন্ত্রী আজ দক্ষিণেশ্বর ও কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি বিকেলে একটি মিছিলেও অংশ নিতে পারেন বলে নবান্ন সূত্রে খবর।