দেশের বৃহত্তম আইপিও-র পথে জিয়ো: এজিএম-এ বড় ঘোষণা মুকেশ আম্বানির

ডিআরএইচপি (DRHP) অনুমোদন: রিলায়েন্সের বোর্ড জিয়ো প্ল্যাটফর্মসের ‘ড্রাফ্ট রেড হেরিং প্রসপেক্টাস’ বা ডিআরএইচপি-তে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড়পত্র দিয়েছে। শুক্রবারই এই খসড়া নথি ভারতের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবি (SEBI)-র কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
নেতৃত্বে আম্বানি-সন্তানরা: সংস্থার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াটি পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন আকাশ, ইশা এবং অনন্ত আম্বানি। মুকেশ আম্বানি জানিয়েছেন, এই নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বই জিয়োকে বিশ্বমানের প্রযুক্তি সংস্থায় পরিণত করার পথপ্রদর্শক হবে।
একটি আবেগঘন মুহূর্ত: মুকেশ আম্বানি এই ঘোষণা করার সময় বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি জানান, রিলায়েন্স এবং এর লক্ষ লক্ষ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে যে সম্পর্ক তা কেবল ব্যবসায়িক নয়, বরং বিশ্বাস ও সম্মানের। তাঁর পিতা ধীরুভাই আম্বানির স্বপ্নকে পাথেয় করেই এই অগ্রযাত্রা।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: সংস্থার দাবি, এই আইপিও-র মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে এটা প্রমাণ করা হবে যে ভারত কেবল প্রযুক্তি ব্যবহারকারী নয়, বরং বিশ্বমানের প্রযুক্তি সংস্থা তৈরির সক্ষমতাও রাখে।
কেন জিয়োর আইপিও নিয়ে এত উন্মাদনা?
বিশাল গ্রাহকভিত্তি: টেলিকম সেক্টরে জিয়োর একচেটিয়া আধিপত্য এবং কয়েক কোটি গ্রাহকের শক্তিশালী ভিত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ তৈরি করেছে।
বহুমাত্রিক ব্যবসা: জিয়ো এখন আর শুধু টেলিকম পরিষেবা নয়, বরং ক্লাউড, ডিজিটাল সলিউশন, এন্টারপ্রাইজ সার্ভিস এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)-এর মতো ভবিষ্যৎমুখী সেক্টরেও নিজেদের ব্যবসা বিস্তার করেছে।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনা: এই আইপিও রিলায়েন্সের জন্য এ বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘ভ্যালু ক্রিয়েশন’ মাইলফলক হতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।