দুর্গাপুর গণধর্ষণ কাণ্ডে হস্তক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর, ‘কঠোরতম ব্যবস্থা’র নির্দেশ, বিজেপি-শাসিত রাজ্য নিয়ে পাল্টা তোপ মমতার

দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পরেই এবার কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার উত্তরবঙ্গে রওনা হওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি এই প্রসঙ্গে বিরোধীদের আক্রমণেরও পাল্টা জবাব দেন। ওড়িশা-সহ অন্যান্য বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে ধর্ষণের যে অভিযোগ ওঠে, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।
কী ঘটেছিল, কী জানাল পুলিশ:
নির্যাতিতা ছাত্রীর অভিযোগ, প্রথমে তিনজন তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং পরে একজন তাকে ধর্ষণ করে। এরপর ওই তিনজন ঘটনাস্থল থেকে চলে গেলে অন্য আরও দু’জন আসে। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে।
তদন্তের গতি: আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপ থানা পরানগঞ্জ কালীবাড়ি শ্মশান সংলগ্ন জঙ্গলে ড্রোন উড়িয়ে নিবিড় তদন্ত চালাচ্ছে।
পুলিশ হেফাজত: এই ঘটনায় ধৃত অভিযুক্তদের দুর্গাপুর মহকুমা আদালত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের পর এখন দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয় কিনা, সেই দিকেই তাকিয়ে আছে রাজ্যবাসী। রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে বিরোধীরা যে প্রশ্ন তুলছে, তার আবহে মুখ্যমন্ত্রীর এই কঠোর বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।