টলিউডের ‘রঞ্জাবতী’ এবার রাজনীতির আঙিনায়। গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে সোজা নির্বাচনী ময়দানে পা রেখেছেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। তবে তিনি ভোটে লড়ছেন না, বরং তৃণমূলের মনোনীত সাংসদ হিসেবে দলের হয়ে কোমর বেঁধে প্রচারে নেমেছেন। মেদিনীপুরের সবং-এ মানস ভুঁইয়ার সমর্থনে রোড শো করতে গিয়ে এক অনন্য অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলেন কোয়েল। লাইটস, ক্যামেরা, অ্যাকশনের জগৎ থেকে রাজনীতির জনস্রোত—কেমন লাগছে তাঁর এই নতুন ইনিংস? এবিপি আনন্দকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মনের কথা উজাড় করে দিলেন অভিনেত্রী।
সাংসদ হিসেবে এটি তাঁর প্রচারের দ্বিতীয় দিন। সবং-এর রাস্তা জুড়ে মানুষের উচ্ছ্বাস দেখে অভিভূত কোয়েল বলেন, “দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা হচ্ছে, আমি আক্ষরিক অর্থেই থ্রিলড। মানুষের চোখের দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছে, তাঁরা আমায় কত বছর ধরে চেনেন! সিনেমার দৌলতে গত ২২ বছর ধরে যে ভালোবাসা পেয়েছি, আজ রাজনীতির ময়দানে এসে মনে হচ্ছে তাঁরা আমায় ঘরের মেয়ে করে নিয়েছেন।” এই ভালোবাসা আর আশীর্বাদকেই নিজের পথ চলার পাথেয় বলে মনে করছেন তিনি।
প্রচারের ময়দানে কোয়েলকে ঘিরে মানুষের উন্মাদনা কি কেবল তাঁর তারকা ইমেজের জন্য? হাসিমুখে কোয়েল জানালেন, “তৃণমূল আর কোয়েল… সবটাই এখন এক। আমি এখানে ভোট চাইতে আসিনি, কারণ আমি জানি আমাদের জয় সুনিশ্চিত। আমি এসেছি মেদিনীপুরের মানুষের ভালোবাসার টানে। এই মাটির হলগুলোতে আমার সিনেমা ব্লকবাস্টার হয়েছে, আজ তাঁদের মাঝে এসে মনে হচ্ছে আমি পরিবারের কাছেই ফিরেছি।”
রাজনীতির জটিল সমীকরণ বা চড়া সুরের ভাষণ নয়, কোয়েল বিশ্বাস করেন ‘মনুষ্যত্ব’ই সবথেকে বড় ধর্ম। তাঁর মতে, তৃণমূলের প্রার্থীরা এতটাই যোগ্য যে আলাদা করে ভোট চাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মতো কথা বলা শিখতে বড়দের সাহায্য নিলেও, মানুষের সম্পর্কে ভালো কথা বলার আজন্ম অভ্যাসটা বজায় রাখতে চান পর্দার ‘মিতিন মাসি’।





