জরায়ুর টিউমার বা ফাইব্রয়েড আসলে জরায়ুর দেওয়ালে তৈরি হওয়া এক ধরণের মাংসল পিণ্ড। সুখবর হলো, এগুলি সাধারণত ক্যান্সার নয় (Non-cancerous), তবে সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে এটি মারাত্মক যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে এবং বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
কেন হয় এই রোগ?
হরমোনের প্রভাব: ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে এই টিউমার দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এই কারণেই গর্ভাবস্থায় বা প্রজননক্ষম বয়সে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
বংশগত কারণ: পরিবারের কোনো নিকটাত্মীয়ের (মা বা বোন) এই সমস্যা থাকলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা: অতিরিক্ত ওজন বা ওবেসিটি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা টিউমার জন্মানোর অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।
খাদ্যাভ্যাস: লাল মাংস (Red Meat) অতিরিক্ত খাওয়া এবং শাকসবজি কম খাওয়ার ফলেও এই ঝুঁকি বাড়তে পারে।
সতর্ক হওয়ার লক্ষণ:
অস্বাভাবিক দীর্ঘস্থায়ী পিরিয়ড, তলপেটে ভারী ভাব বা চাপ অনুভব করা, ঘনঘন প্রস্রাবের বেগ পাওয়া এবং পিঠের নিচের দিকে ব্যথা হওয়া—এই লক্ষণগুলো দেখা দিলেই দ্রুত গাইনিকোলজিস্টের পরামর্শ নিন এবং একটি আল্ট্রাসনোগ্রাফি করিয়ে নিশ্চিত হোন।





