ছোট ঘরকে বড় দেখানোর জাদুকরী উপায়! আজই ট্রাই করুন এই ৮টি সহজ টিপস

ঘরের আকার ছোট হোক বা বড়, অগোছালো পরিবেশ ঘরকে আরও সংকীর্ণ ও দমবন্ধ করে তোলে। আপনিও কি নিজের ছোট ঘর নিয়ে চিন্তিত? তাহলে জেনে নিন ঘরকে বড়, উজ্জ্বল ও খোলামেলা দেখানোর ৮টি কার্যকরী ও সহজ কৌশল।
১. অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরাুন: ঘরের মেঝের বা টেবিলের ওপর জমে থাকা বাড়তি জিনিসপত্র প্রথমেই সরিয়ে ফেলুন। অপ্রয়োজনীয় বস্তু চোখের সামনে না থাকলে ঘর এমনিতেই হালকা ও প্রশস্ত দেখায়।
২. দেয়ালের রঙের সঠিক ব্যবহার: জানলা দিয়ে আসা প্রাকৃতিক আলোর কথা মাথায় রেখে রঙের নির্বাচন করুন। প্রচুর আলো পাওয়া ঘরে সাদা বা প্যাস্টেল শেড দিলে ঘর উজ্জ্বল লাগে। কম আলোযুক্ত ঘরে গাঢ় কিন্তু স্নিগ্ধ রঙের ব্যবহার ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
৩. পর্দার উচ্চতা বাড়ান: জানলার ঠিক ওপর থেকে পর্দা না ঝুলিয়ে সিলিং বা ছাদের কাছাকাছি থেকে পর্দা ঝোলানোর ব্যবস্থা করুন। মেঝে ছোঁয়া লম্বা পর্দা ঘরের দেয়ালকে দীর্ঘ দেখায়, যা ঘরকে অনেক বড় মনে করতে সাহায্য করে।
৪. আয়নার ব্যবহার: ঘরের জানলা বা আলোর উৎসের ঠিক বিপরীতে একটি বড় আয়না ঝুলিয়ে দিন। এটি আলোকে প্রতিফলিত করে ঘরের ভেতর কৃত্রিম গভীরতা তৈরি করে। তবে খেয়াল রাখবেন আয়না যেন অগোছালো অংশের প্রতিফলন না ঘটায়।
৫. ফার্নিচারের দূরত্ব বজায় রাখুন: আসবাবপত্র দেয়ালের সাথে একেবারে চেপে না রেখে সামান্য দূরত্বে রাখুন। সোফা বা টেবিল দেয়াল থেকে ২-৩ ইঞ্চি এগিয়ে রাখলে ঘরের লেআউট খোলামেলা দেখায় এবং বাতাস চলাচলের পথ সহজ হয়।
৬. বড় কার্পেট বেছে নিন: ছোট ঘরের মেঝেতে একাধিক ছোট কার্পেট ব্যবহার করবেন না; এতে ঘর খণ্ডিত দেখায়। এর পরিবর্তে একটি বড় গালিচা পাতুন যা সমস্ত আসবাবকে একসূত্রে বাঁধে।
৭. ভার্টিকাল স্টোরেজ: মেঝের জায়গা খালি রাখতে দেয়ালে লম্বা শেলফ, ফ্লোটিং র্যাক বা হুক ব্যবহার করুন। ফ্লোর ক্যাবিনেটের বদলে ভার্টিকাল স্টোরেজ মেঝে পরিষ্কার রাখে এবং হাঁটাচলার জায়গা বাড়িয়ে দেয়।
৮. লেয়ার্ড লাইটিং: ঘরের অন্ধকার কোণগুলো দূর করতে সিলিংয়ের একটি আলোর ওপর নির্ভর না করে লেয়ার্ড লাইটিং বেছে নিন। টেবিল ল্যাম্প, ফ্লোর ল্যাম্প বা ক্যাবিনেটের নিচে স্ট্রিপ লাইট ব্যবহার করলে প্রতিটি কোণ আলোকিত হয়ে ঘরকে প্রশস্ত দেখাবে।
এই টিপসগুলো মেনে চললে খুব সহজেই আপনার ঘর হয়ে উঠবে আরামদায়ক ও বিশাল।