গৃহবধূকে কারেন্টের শক দিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

ফের শিরোনামে পারিবারিক হিংসার এক ভয়াবহ ঘটনা। এক গৃহবধূকে কারেন্টের শক দিয়ে হত্যার চেষ্টার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি রাজ্যের এক অজ্ঞাত স্থানে ঘটলেও, এর নৃশংসতা গোটা সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূকে নানাভাবে নির্যাতন করা হতো। পারিবারিক কলহ এবং সম্ভবত যৌতুক সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই এই নির্মম হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা সম্মিলিতভাবে এই নারকীয় কাজটি করার চেষ্টা করে। গৃহবধূর ওপর প্রথমে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় এবং তারপর তাঁকে বিদ্যুতের শক দিয়ে খুন করার চেষ্টা করা হয়।
কোনোভাবে প্রাণ বাঁচিয়ে ওই গৃহবধূ তাঁর পরিবারের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হন। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ শুনে স্তম্ভিত তাঁর পরিবার দ্রুত পুলিশের দ্বারস্থ হয়। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। গৃহবধূর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও তিনি এখনো মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
এই ঘটনা আবারও সমাজে নারী নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরল। কীভাবে একটি পারিবারিক বিবাদ খুনের মতো জঘন্য অপরাধের দিকে ধাবিত হতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। নারী অধিকার সংগঠনগুলো এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। গৃহবধূর অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে এবং ফরেনসিক দলও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহের কাজ করবে। এই ঘটনায় জড়িত সকলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।