গণতন্ত্রের ‘জননী’ ভারত এখন প্রযুক্তিতেও বিশ্বগুরু! মোদীর AI মিশনে কেন ডেটা প্রাইভেসি নিয়ে চিন্তা নেই, ফাঁস করলেন গোপন রহস্য!

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে গ্লোবাল ফিনটেক ফেস্ট (GFF) ২০২৫-এ তার ব্রিটিশ প্রতিপক্ষ কেয়ার স্টার্মারকে স্বাগত জানান। এই হাই-প্রোফাইল ইভেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদী ভারতকে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আশাবাদী সমাজ হিসেবে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণের শুরুতেই স্মৃতিচারণ করে বলেন, “গতবার যখন এই অনুষ্ঠানে এসেছিলাম, তখন ২০২৪-এর নির্বাচন বাকি ছিল। সেদিন বলেছিলাম, আমি পরের অনুষ্ঠানে আসব। আমি আমার কথা রেখেছি।”

তিনি মুম্বইকে ‘শক্তি, উদ্যোগ এবং অফুরন্ত সম্ভাবনার শহর’ বলে বর্ণনা করেন এবং জিএফএফ-এ যোগ দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টার্মারকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।

গণতন্ত্র ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন
প্রধানমন্ত্রী মোদীর কথায়, ভারত কেবল গণতন্ত্রের জননী নয়, গণতান্ত্রিক চেতনাকে দেশ শাসনের এক শক্তিশালী স্তম্ভে পরিণত করেছে। এর সেরা উদাহরণ হলো প্রযুক্তি।

তিনি বলেন, “বিগত এক দশকে ভারত প্রযুক্তির গণতন্ত্রীকরণ করেছে। আজকের ভারত প্রযুক্তিগত দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজগুলির মধ্যে একটি।”

মোদী আরও বলেন যে, ভারত যা করছে, তা বিশেষভাবে ‘গ্লোবাল সাউথ’ বা বিশ্ব দক্ষিণের দেশগুলির জন্য আশার আলো।

AI-এ ভারতের ‘ট্রাস্ট লেয়ার’: কেন বাকিদের থেকে এগিয়ে?
বর্তমানে বিশ্বে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)-এর জন্য বিশ্বাস ও নিরাপত্তার নিয়মাবলী (Trust and Safety Rules) নিয়ে বিতর্ক চলছে। সেই প্রসঙ্গে মোদী দাবি করেন, ভারত এই বিতর্কের আগেই এর জন্য ‘ট্রাস্ট লেয়ার’ তৈরি করে ফেলেছে।

তিনি বলেন, “ভারতের এআই মিশন ডেটা এবং প্রাইভেসি (গোপনীয়তা) – উভয় বিষয়কেই সামলানোর সক্ষমতা রাখে।”

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ভারত তার ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিশ্বে ডিজিটাল সহযোগিতা এবং ডিজিটাল অংশীদারিত্ব বাড়াতে চায়। এই লক্ষ্যে, ভারত তার অভিজ্ঞতা এবং ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম উভয়ই ‘গ্লোবাল পাবলিক গুড’-এর জন্য ভাগ করে নিচ্ছে।

এই বক্তৃতার মাধ্যমে মোদী বিশ্বকে এই বার্তা দিলেন যে, ভারতের ফিনটেক ও এআই ভিশন শুধুমাত্র দেশের উন্নতির জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিগত সমতা এবং অন্তর্ভুক্তির এক নতুন মানদণ্ড তৈরি করছে।