বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। বৃহস্পতিবার এক সভায় তিনি কোচবিহারে তার উপর হামলার ঘটনার কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “গুনে গুনে হিসেব নেবো।” তিনি আরও বলেন যে, যারা হামলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বোতলে পেট্রোল ছিল বলে তিনি যে দাবি করেছেন, তা এই ঘটনাকে আরও গুরুতর করে তুলেছে।
শুভেন্দু অধিকারী তার বক্তব্যে শুধু রাজনৈতিক বিরোধীদের আক্রমণ করেননি, বরং প্রশাসন এবং সরকারের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, “সরকার চালাচ্ছে আইপ্যাক,” এবং এ বিষয়ে প্রমাণ হিসেবে একটি পোস্ট করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই ধরনের অভিযোগ রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
এছাড়াও, তিনি নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে সমালোচনা করে বলেন, “এখন বিজেপিকে ছেড়ে নির্বাচন কমিশনকে ধরেছে। এরপর বলবে সংবিধানটাই খারাপ।” তার এই মন্তব্য রাজ্যের শাসক দল এবং সাংবিধানিক সংস্থার মধ্যে চলমান সংঘাতকে আরও প্রকট করেছে।
শুভেন্দু অধিকারী তার বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, “রোহিঙ্গাদের কোনো জায়গা নেই।” এ বিষয়ে তিনি নতুন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এছাড়া, তিনি প্রাক্তন সাংসদ লক্ষণ শেঠকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে বলেছেন, “আমি লক্ষণ শেঠকে ক্যালেন্ডার করে দেওয়া লোক। গুনে গুনে জেলে ঢোকাবো।” শুভেন্দুর এই ধরনের আক্রমণাত্মক এবং ব্যক্তিগত মন্তব্য রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে এবং তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পদক্ষেপ সম্পর্কে ইঙ্গিত দিচ্ছে।





