কৈলাস থেকে যক্ষপুরী এবার দুর্গাপুরে, ৫০ ফুট উঁচু দৈত্যাকার যক্ষ, চমকে দেবে এই মণ্ডপ

থিম পুজোর একঘেয়েমি ভেঙে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার এক কল্পরাজ্য নিয়ে আসছে দুর্গাপুরের নবারুণ ক্লাব। কৈলাস পর্বতের উপর ধনদেবতা কুবেরের অলকপুরীর আদলে গড়ে তোলা হচ্ছে এক অলৌকিক ‘যক্ষপুরী’। এখানেই দেখা মিলবে এক বিশাল, কাল পোশাক পরা দৈত্যাকার যক্ষের, যা দুর্গাপুরের পুজোপ্রেমীদের জন্য এক বড় চমক।

কোথায় দেখতে পাবেন এই যক্ষপুরী?
দুর্গাপুরের ভিড়িঙ্গী এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বিশাল ময়দান জুড়ে তৈরি হচ্ছে এই যক্ষপুরী। ফাইবারের সঙ্গে ফোম ও অন্যান্য হালকা উপকরণ ব্যবহার করে শিল্পীরা এই কল্পিত রাজ্যকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন। মণ্ডপের প্রতিটি কোণে থাকবে লক্ষাধিক অত্যাধুনিক আলোর রোশনাই, যা যক্ষপুরীর রহস্যময় পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। পুজো কমিটির আশা, এই অভিনব থিম এবারেও তাদের সেরা পুরস্কার এনে দেবে।

মণ্ডপ থেকে মেলা: পুজোর সেরা আকর্ষণ
৫৮তম বর্ষে পা রাখা নবারুণ ক্লাবের পুজো শুধু থিমেই সীমাবদ্ধ নয়। মণ্ডপের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয় প্রতিমা, যা দর্শকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে ওঠে। শিল্পাঞ্চলের এই একমাত্র পুজোকে কেন্দ্র করে বিশাল একটি মেলাও বসে, যা প্রায় ১০ দিন ধরে চলে। কেনাকাটা, খাওয়াদাওয়া এবং বিনোদনের জন্য এই মেলা খুবই জনপ্রিয়। জাতীয় সড়কের পাশে পুজো ও মেলা হওয়ায় এখানে দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট-এর বিশাল বাহিনী দিন-রাত কড়া নজরদারি চালায়।

প্রতি বছরই এই পুজো কার্নিভালের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে এবং পুরস্কৃতও হয়। তাই এই বছরও নবারুণ ক্লাব তাদের ‘যক্ষপুরী’ থিম দিয়ে দর্শনার্থীদের মন জয় করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।