‘কলকাতার সুনাম বাড়ল? অপদার্থ আয়োজক!’ ক্ষোভে ফুঁসছেন কুণাল ঘোষ, কেন বিরক্ত হলেন মেসি?

ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসিকে শহরে এনে চরম বিশৃঙ্খলা এবং লজ্জার মুখে পড়তে হলো কলকাতা শহরকে। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজিত ‘গোট কনসার্ট’ ইভেন্টে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার জেরে মেসিকে দেখতে না পেয়ে দর্শকরা চেয়ার ও বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু করে দেন।
রদ্রিগো ডি পল এবং লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে মেসি মাঠে প্রবেশ করলেও, সেলিব্রিটি এবং প্রাক্তন ফুটবলারদের ভিড়ে কার্যত তাঁকে ঘিরে ফেলা হয়। ভিড়ের বাড়াবাড়ি এবং অব্যবস্থাপনায় বিরক্ত হয়ে মাঝপথেই মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান আর্জেন্তিনীয় মহাতারকা।
মেসির মাঠ প্রদক্ষিণ করার কথা থাকলেও, সেই পরিকল্পনা বাতিল করতে হয় বিশৃঙ্খলার কারণে। গ্যালারি থেকে মাঠে বোতল, চেয়ার ছোড়েন দর্শকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ আসরে নামলেও ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। ফলে চরম বিশৃঙ্খলার জেরে ‘সিটি অফ জয়’ লজ্জার মুখে পড়ল। যেই মাঠেই মেসি জাতীয় দলের জার্সি গায়ে প্রথম ক্যাপ্টেন হিসেবে ম্যাচ খেলেছিলেন (২০১১ সালে), সেই মাঠেই তাঁকে বিরক্ত হয়ে বেরিয়ে যেতে হলো।
কুণাল ঘোষের কড়া বার্তা
এই ঘটনায় চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ দর্শকরা মাঠে ঢুকে পাশে রাখা সরঞ্জাম ভাঙচুর করেন। আয়োজকরা উধাও, পুলিশ পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ। এর মধ্যেই তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আয়োজকদের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
তিনি লেখেন: “কেন মেসিকে ঘিরে থাকল হ্যাংলামির ভিড়? কেন স্টেডিয়াম পরিক্রমার সময় মেসিকে একা এগিয়ে রাখা হল না? কেন গ্যালারির দর্শকদের বঞ্চিত করা হল? এতে কলকাতার সুনাম বাড়ল? অপদার্থ আয়োজক কেন ন্যূনতম পরিকল্পনার ছাপ রাখল না? শুধু টাকা? শুধু ব্যবসা? এই আয়োজক আর কিছু হ্যাংলার জন্য সবাই বঞ্চিত হল। কলকাতা লজ্জিত হল। দর্শকদের ক্ষোভ ন্যায্য।“
তিনি ২০১১ সালের সফরের কথা উল্লেখ করে লেখেন, “পুনশ্চ: 2011 সালে এই যুবভারতীতেই খেলেছিলেন মেসি। আমি আর সহকর্মী প্রসেনজিৎ বক্সি কর্নার ফ্ল্যাগের পাশে বসে খেলা দেখেছিলাম। বারো ফুটের মধ্যে এসে কর্নার নিলেন মেসি। সবটা হয়েছিল পরিকল্পিতভাবে। কোনো বাড়াবাড়ি সেদিন হয়নি।”