আগে ২, এখন ১১! খগেন মুর্মুর বাড়িতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ‘Y+’ ক্যাটাগরির সুরক্ষা পেলেন বিজেপি সাংসদ

উত্তরবঙ্গে বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার প্রায় ২০ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। ৬ অক্টোবর জলপাইগুড়িতে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে তিনি শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন ছিলেন। যদিও এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন তিনি।
সাংসদের স্ত্রী জানিয়েছেন, চিকিৎসকরা তাঁকে আপাতত কথা বলতে নিষেধ করেছেন এবং শুধুমাত্র তরল খাবার খেতে নির্দেশ দিয়েছেন। গুরুতর আঘাতের কারণে তাঁকে আগামী এক-দু’দিনের মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লির এইমস (AIIMS) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।
গুরুতর চোটের কারণে কড়া বিশ্রামের নির্দেশ: হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলায় খগেন মুর্মুর চোখের নিচের হাড় ভেঙে গিয়েছে। এছাড়া গলা ও ঘাড়ে গুরুতর চোট রয়েছে। এই কারণে তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার এবং চিকিৎসকদের দেওয়া সমস্ত নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সাংসদের বাড়ি: পেলেন ‘Y+’ ক্যাটাগরি হামলার পর থেকে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। তাঁকে ‘Y+’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। আগে যেখানে মাত্র দুইজন নিরাপত্তা রক্ষী ছিলেন, এখন সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১ জন।
বাড়ি ফেরার পর তাঁর বাসভবনেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গোটা বাড়ি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয়েছে। নিরাপত্তা রক্ষীদের অনুমতি ছাড়া সাংসদের সঙ্গে কেউ দেখা করতে পারবেন না বা তাঁর বাড়িতে প্রবেশ করতে পারবেন না।
উল্লেখ্য, সাংসদ চিকিৎসাধীন থাকাকালীন তাঁকে দেখতে শিলিগুড়ির নার্সিংহোমে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খগেন মুর্মুকে দেখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রায় সুস্থ রয়েছেন। যদিও প্রায় তিন সপ্তাহ পর বাড়ি ফেরা বিজেপি সাংসদের গুরুতর আঘাত এবং তাঁর বর্তমান অবস্থা প্রমাণ করছে যে, তিনি এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ হননি।