অন্নপূর্ণা যোজনার ভেরিফিকেশন, জেনেনিন কী কী প্রশ্ন করা হচ্ছে?

রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ নিয়ে বড় সুখবর। ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় ৫০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গেছে প্রথম কিস্তির ৩,০০০ টাকা। মঙ্গলবার কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে প্রশাসনিক বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই এই সাফল্যের কথা তুলে ধরেন।

টাকা নিয়ে বড় আপডেট মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত বুধবার থেকেই প্রকল্পের টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (DBT) ঢুকতে শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ২৮ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৬৯ জন প্রথম দিনেই টাকা পেয়েছেন এবং মোট ৫০ লক্ষ সুবিধাভোগী এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন।

আবেদন ও ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া যারা এখনও আবেদন করেননি বা আবেদন করার পরও টাকা পাননি, তাদের চিন্তার কোনো কারণ নেই। আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৩ মাস ধরে চলবে। অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনে https://socialregistry.wb.gov.in/ পোর্টালে আবেদন করা যাচ্ছে।

কেন দেরি হচ্ছে? কী করছে সরকার? সরকারি পোর্টালে প্রচুর আবেদন জমা পড়ায় ডেটা প্রসেসিং ও ভেরিফিকেশনে কিছুটা সময় লাগছে। মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম পূরণে সাহায্য করছে এবং প্রতিটি আবেদন খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

ভেরিফিকেশন ফোনে কী জানতে চাওয়া হচ্ছে? লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মতো কোনো দুর্নীতি বা গরমিল যাতে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে না হয়, সেজন্য রাজ্য সরকার বাড়তি সতর্ক। ভেরিফিকেশনের জন্য সরাসরি ফোন করা হচ্ছে উপভোক্তাদের। মূলত যে তথ্যগুলি পুনরায় জানতে চাওয়া হচ্ছে:

  • আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন কি না?

  • বর্তমান পেশা ও মাসিক আয় কত?

  • পরিবারের প্রধানের পেশা কী?

  • বাড়িতে গাড়ি আছে কি না বা কতগুলি ঘর রয়েছে?

মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশ, প্রকৃত উপভোক্তারাই যেন এই সুবিধার আওতাভুক্ত হন। তাই স্বচ্ছতার স্বার্থেই এই বাড়তি ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া। সরকার নিশ্চিত করতে চায়, যেন কোনোভাবেই কোনো অযোগ্য ব্যক্তি এই প্রকল্পের সুবিধা না পান।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy