সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষের ভিড় এখন তুঙ্গে। এরই মাঝে নতুন চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্প। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে আপনাকে মানতে হবে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম এবং জমা দিতে হবে সঠিক নথিপত্র। সবাই আবেদন করলেই যে এই সুবিধা পাবেন, তা কিন্তু নয়। কারা এই প্রকল্পের আসল হকদার এবং আবেদনের জন্য ঠিক কী কী প্রয়োজন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা জারি হয়েছে।
কারা পাবেন এই সুবিধা? অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট মাপকাঠি রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর অনুযায়ী:
আবেদনকারীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
মূলত অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া এবং নির্দিষ্ট আয়ের নিচে থাকা পরিবারগুলোকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
পরিবারের নারী সদস্য বা বয়স্ক সদস্যদের কথা মাথায় রেখেই এই প্রকল্পের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
যারা ইতিমধ্যে অন্য কোনো বড় কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারি প্রকল্পের উচ্চ সুবিধা পাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ থাকতে পারে।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র: আপনার আবেদন যাতে বাতিল না হয়, তার জন্য নিচের এই নথিগুলো গুছিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক: ১. আধার কার্ড: পরিচয়পত্র এবং ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে সবথেকে জরুরি। ২. রেশন কার্ড: পরিবারের আর্থিক অবস্থা এবং ক্যাটাগরি বোঝার জন্য ডিজিটাল রেশন কার্ডের কপি প্রয়োজন। ৩. ব্যাঙ্ক পাসবই: প্রকল্পের টাকা সরাসরি উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে (DBT) পাঠানোর জন্য ব্যাঙ্কের ডিটেইলস ও আইএফএসসি (IFSC) কোড থাকা মাস্ট। ৪. পাসপোর্ট সাইজ ছবি: সাম্প্রতিক সময়ে তোলা স্পষ্ট ছবি আবেদনের ফর্মে দিতে হবে।
আবেদন করবেন কোথায়? আপনার নিকটবর্তী সরকারি ক্যাম্প বা ব্লকের নির্দিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম তোলা যাবে। অনলাইনেও আবেদনের প্রক্রিয়া চালু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে মনে রাখবেন, ভুল তথ্য দিলে বা নথি অসম্পূর্ণ থাকলে আপনার আবেদন সরাসরি খারিজ হতে পারে।
আপনি কি এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য? এখনই আপনার নথিপত্রগুলো মিলিয়ে দেখে নিন এবং পরবর্তী আপডেটের জন্য আমাদের ফলো করুন।





