শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহায়ক (PA) চন্দ্রনাথ রথের রহস্যমৃত্যু মামলা এবার এক নাটকীয় মোড় নিল। তদন্তভার হাতে নিতেই সিবিআই-এর (CBI) হাতে এসেছে চাঞ্চল্যকর সূত্র। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক অনুমান, চন্দ্রনাথকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিতে কোটি টাকার ‘সুপারি’ দেওয়া হয়েছিল। স্রেফ রাজনৈতিক আক্রোশ নয়, এই খুনের নেপথ্যে রয়েছে বিশাল কোনো আর্থিক লেনদেন এবং গভীর এক ষড়যন্ত্রের জাল।
কোটি টাকার রহস্য: তদন্তকারীদের নজরে এসেছে বেশ কিছু সন্দেহজনক ব্যাঙ্ক ট্রানজ্যাকশন এবং ডিজিটাল এভিডেন্স। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, চন্দ্রনাথকে খুনের জন্য পেশাদার অপরাধীদের বা সুপারি কিলারদের একটি বড় অংকের টাকা দেওয়া হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, এক জন পিএ-কে সরাতে কেন এত বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করা হলো? কার স্বার্থ জড়িয়ে ছিল এই খুনে?
সিবিআই-এর মাস্টারপ্ল্যান: যে পথে এগোবে তদন্ত দিল্লির দুঁদে গোয়েন্দারা এই খুনের রহস্যভেদে তিনটি প্রধান দিকে নজর দিচ্ছেন:
আর্থিক লেনদেন বা মানি ট্রেইল: চন্দ্রনাথের মৃত্যুর ঠিক আগে এবং পরে এলাকার কিছু বিশেষ অ্যাকাউন্টে বড় অংকের লেনদেন হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
টাওয়ার ডাম্প অ্যানালাইসিস: অপরাধের সময় ওই এলাকায় কোন কোন মোবাইল নম্বর সক্রিয় ছিল এবং কাদের সাথে ঘাতকদের যোগাযোগ ছিল, তা খুঁজে বের করতে টাওয়ার ডাম্প প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
প্রভাবশালীদের ভূমিকা: কোটি টাকার সুপারি দেওয়ার ক্ষমতা কাদের আছে? কোনো প্রভাবশালী নেতা বা ব্যবসায়ী কি এর পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন? সেই তালিকায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনের নাম গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে।
শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শুরু থেকেই দাবি করে আসছিলেন যে, এটি একটি পরিকল্পিত ঠান্ডা মাথার খুন। সিবিআই-এর হাতে কোটি টাকার সুপারির তথ্য আসার পর রাজনৈতিক মহলে তো





