ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম ওই যুবককে রক্তাক্ত ও অচৈতন্য অবস্থায় রাস্তায় বা নির্জন কোনো স্থানে পড়ে থাকতে দেখেন। যুবকের শরীর থেকে গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছিল। এই হাড়হিম করা দৃশ্য দেখামাত্রই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায় এবং তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় স্থানীয় থানায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত যুবককে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা গেছে, মৃতের শরীরে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান চিকিৎসকদের।
পুলিশ ইতিমধ্যেই মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে এবং এটি কোনো পুরনো শত্রুতার জের নাকি কোনো ত্রিকোণ প্রেমের কোন্দল, তা খতিয়ে দেখছে। এলাকার সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। দোষীদের খোঁজে জোরকদমে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হয়েছে।





