২৯ এপ্রিল বাংলার দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। খাস কলকাতায় ভোটগ্রহণের আগে বুধবার উত্তর দমদমে প্রচারে এসে একযোগে তৃণমূল ও কংগ্রেসকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দমদমের অগ্রদূত ময়দানের জনসভা থেকে শাহের তোপ, বাংলায় শিল্পের বিনাশ এবং সন্ত্রাসবাদ তোষণের জন্য দায়ী বর্তমান সরকার।
খাড়গেকে কড়া জবাব এদিন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মোদী-সংক্রান্ত এক মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান শাহ। তিনি বলেন, “খাড়গেজী নরেন্দ্র মোদীকে আতঙ্কবাদী বলছেন। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে থেকে থেকে তাঁর ভাষাও খারাপ হয়ে যাচ্ছে। রাহুল গান্ধীর মনে রাখা উচিত, মোদীজীর ওপর যত কাদা ছেটানো হবে, পদ্ম তত বেশি করে ফুটবে।” একইসঙ্গে শাহ ভবিষ্যৎবাণী করেন যে, তামিলনাড়ু বা পন্ডিচেরিতে কংগ্রেস ডাবল ফিগার পার করতে পারবে না।
সন্ত্রাসবাদ ও ‘অপারেশন সিঁদুর’ ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলার এক বছর পূর্তিতে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুকে হাতিয়ার করেন শাহ। তৃণমূল ও কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “আগের সরকারগুলো আতঙ্কবাদীদের বিরিয়ানি খাওয়াত। কিন্তু মোদী সরকার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক আর এয়ার স্ট্রাইক করে জবাব দিয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পর ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালিয়ে যোগ্য জবাব দেওয়া হয়েছে।”
শিল্প ও কলকাতা নিয়ে তোপ বাংলার বেহাল শিল্প দশা নিয়েও সুর চড়ান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর দাবি, “বাংলা থেকেই দেশের শিল্পের শুরু হয়েছিল, আজ সব শিল্প রাজ্য ছাড়ছে। কাটমানির চক্করে দিদির লোকেরা শিল্পের পিছনে উঠেপড়ে লেগেছে।” কলকাতার পুরসভা দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করে শাহ বলেন, “কলকাতা এখন বস্তির শহর হয়ে গিয়েছে। পুরসভার অবহেলায় মোতিঝিলের মতো ঝিলগুলো আজ বিষাক্ত হয়ে উঠেছে।”
দ্বিতীয় দফার লড়াইয়ের আগে শাহের এই আক্রমণাত্মক মেজাজ কলকাতার রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।





