‘ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতেই হবে!’ হুঙ্কার ইরানি ধর্মগুরুর, ইজরায়েল-লেবানন সীমান্তে কি তবে মহাপ্রলয়?

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত আবহে এবার সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিশানা করল ইরান। ইরানের প্রভাবশালী ধর্মগুরু আলি শিরাজি এক বিস্ফোরক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবিলম্বে তাঁর কর্মকাণ্ডের জন্য ইরানের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। এই বিবৃতির পরেই ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে।

কেন এই হুঁশিয়ারি? আলি শিরাজি তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন যে, আমেরিকার ‘আগ্রাসনমূলক’ নীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েলকে ঢালাও সমর্থন করার ফল ভালো হবে না। তাঁর দাবি:

  • ইরান এবং তার মিত্র শক্তির বিরুদ্ধে আমেরিকা যে ষড়যন্ত্র করছে, তার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনই দায়ী।

  • যদি আমেরিকা তাদের অবস্থান পরিবর্তন না করে, তবে ইরান কড়া পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

ইজরায়েল-লেবানন সীমান্তে যুদ্ধের মেঘ: শিরাজির এই মন্তব্যের মধ্যেই লেবানন সীমান্তে ইজরায়েলি সেনার তৎপরতা কয়েক গুণ বেড়েছে। শোনা যাচ্ছে, হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটিগুলো গুঁড়িয়ে দিতে ইজরায়েল বড়সড় স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। লেবানন নিয়ে ইরানের এই সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং ট্রাম্পকে আক্রমণের ঘটনাকে যুদ্ধের আগাম সঙ্কেত হিসেবেই দেখছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

জল্পনা তুঙ্গে: আন্তর্জাতিক মহলের আশঙ্কা, যদি লেবানন এবং ইজরায়েলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হয়, তবে ইরান তাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে। সেক্ষত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন আমেরিকা ইজরায়েলের পাশে দাঁড়ালে পরিস্থিতি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আকার নিতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য বরাবরই ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান বজায় রেখেছেন। এখন ইরানি ধর্মগুরুর এই ‘ক্ষমা চাওয়ার’ দাবিকে হোয়াইট হাউস কীভাবে গ্রহণ করে, তার ওপর নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ শান্তি।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy