প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মিতব্যয়িতা ও জ্বালানি সংরক্ষণের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল ত্রিপুরার বিজেপি সরকার। রাজ্যের গ্রুপ ‘সি’ এবং ‘ডি’ বিভাগের ৫০ শতাংশ কর্মচারীকে এখন থেকে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার জারি করা এক সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, অবিলম্বে এই নিয়ম কার্যকর হবে।
রাজ্যের সাধারণ প্রশাসন বিভাগের বিশেষ সচিব এ. কে. ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, বিভাগীয় প্রধানরা একটি সাপ্তাহিক ডিউটি রোস্টার তৈরি করবেন। এর ফলে অর্ধেক কর্মচারী এক সপ্তাহ অফিসে আসবেন এবং বাকি অর্ধেক বাড়ি থেকে কাজ করবেন। তবে বাড়ি থেকে কাজ করলেও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সর্বদা ফোনে এবং ইলেকট্রনিক মাধ্যমে যোগাযোগ সচল রাখতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে তলব করা হলে তাঁদের অবশ্যই অফিসে হাজিরা দিতে হবে।
বর্তমানে ত্রিপুরায় প্রায় ১ লক্ষ সরকারি কর্মচারী রয়েছেন, যাদের বড় অংশই এই দুই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। তবে জরুরি পরিষেবা ও অত্যাবশ্যকীয় দপ্তরের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ওড়িশার রাজ্যপাল হরিবাবু কাম্ভমপতিও দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদার করতে সাধারণ মানুষকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। জ্বালানি সাশ্রয় এবং অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে ত্রিপুরার এই মডেল এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে।





