Recipe: মুখের স্বাদ বদলাতে বানিয়ে নিন ‘পটল মুগেশ্বরী’, শিখেনিন বানানোর পদ্ধতি

রোজকার সেই চেনা পটলের ঝোল বা ভাজা খেতে খেতে অরুচি ধরেছে? সবজি একই হলেও রান্নার পদ্ধতিতে একটু বদল আনলে কিন্তু ভোজের পাতে ম্যাজিক হতে পারে! নিরামিষের দিনে বা বিশেষ কোনো অতিথি আপ্যায়নে আজই পাতে রাখুন অপূর্ব স্বাদের ‘পটল মুগেশ্বরী’। মুগ ডাল আর দুধের মায়াবী মিশেলে তৈরি এই পদটি যেকোনো ভোজনরসিকের মন জয় করতে বাধ্য।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
প্রধান উপকরণ: কচি পটল (৬টি), সোনা মুগ ডাল (আধ কাপ), দুধ (১ বাটি)।
ফোড়ন ও মশলা: ঘি (২ টেবিল চামচ), আদা বাটা (১ টেবিল চামচ), হিং (এক চিমটে), তেজপাতা (১টি), শুকনো লঙ্কা (২-৩টি), গোটা গরম মশলা ও গোলমরিচ।
গুঁড়ো মশলা: ধনে, জিরে, লঙ্কা ও হলুদ গুঁড়ো (পরিমাণমতো), গরম মশলা গুঁড়ো।
স্বাদ বর্ধক: নুন ও চিনি (স্বাদমতো)।
প্রস্তুতি প্রণালী (স্টেপ-বাই-স্টেপ):
১. পটল প্রস্তুতি: প্রথমে পটলের খোসা সামান্য রেখে ছাড়িয়ে নিন। এরপর পটলের দুই প্রান্ত সামান্য চিরে দিন যাতে মশলা ভেতরে ঢোকে। নুন-হলুদ মাখিয়ে পটলগুলো হালকা লালচে করে ভেজে তুলে রাখুন। খেয়াল রাখবেন পটল যেন খুব বেশি নরম না হয়ে যায়।
২. ডাল ও মশলার পেস্ট: সোনা মুগ ডাল শুকনো খোলায় হালকা ভেজে নিয়ে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। অন্যদিকে, ধনে, জিরে, লঙ্কা ও হলুদ গুঁড়ো সামান্য জলে গুলে একটি ঘন পেস্ট বা মিশ্রণ তৈরি করে রাখুন।
৩. কষানোর পালা: কড়াইতে ঘি গরম করে তেজপাতা, গোটা গরম মশলা, হিং ও শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। এরপর আদা বাটা দিয়ে হালকা কষিয়ে নিন। এবার গুলে রাখা মশলার মিশ্রণটি দিয়ে দিন। মশলা কষানো হলে ধুয়ে রাখা মুগ ডাল এবং নুন দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করুন।
৪. সেদ্ধ করার কৌশল: মশলার সঙ্গে ডাল মিশে গেলে অল্প জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন। ডাল যখন অর্ধেক সেদ্ধ হবে, তখন সেই বাটি ভরা দুধটুকু ঢেলে দিন। এই দুধেই ডাল পুরোপুরি সেদ্ধ হবে, যা পদটিকে এক অসাধারণ ক্রিমি টেক্সচার দেবে।
৫. ফিনিশিং টাচ: ডাল পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে এলে ভেজে রাখা পটলগুলো ঝোলে দিয়ে দিন। সবশেষে ওপর থেকে ঘি, সামান্য চিনি ও গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
সম্পাদকের টিপস: ‘পটল মুগেশ্বরী’ পদটি গরম ভাত বা বাসন্তী পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করলে স্বাদের সেরা কম্বিনেশন তৈরি হয়।