বর্তমানে জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং অত্যধিক মানসিক চাপের কারণে পুরুষদের মধ্যে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বা শুক্রাণুর গুণমান হ্রাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, আমাদের দৈনন্দিন কিছু ছোটখাটো অভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এই বড় বিপদের কারণ। বিশেষ করে খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইল এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
কোন বদগুণগুলো শুক্রাণুর ক্ষমতা কেড়ে নেয়?
ধূমপান ও মদ্যপান: অতিরিক্ত নিকোটিন ও অ্যালকোহল শুক্রাণুর গঠন নষ্ট করে এবং স্পার্ম কাউন্ট বা সংখ্যা কমিয়ে দেয়। এটি ডিএনএ ড্যামেজেরও বড় কারণ।
অতিরিক্ত টাইট পোশাক: চিকিৎসকদের মতে, শুক্রাণু তৈরির জন্য অণ্ডকোষের তাপমাত্রা শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে কিছুটা কম হওয়া প্রয়োজন। সারাক্ষণ টাইট জিন্স বা অন্তর্বাস পরলে সেই তাপমাত্রা বেড়ে যায়, যা শুক্রাণু উৎপাদনে বাধা দেয়।
ল্যাপটপের ব্যবহার: কোলের ওপর ল্যাপটপ রেখে দীর্ঘক্ষণ কাজ করলে সেখান থেকে নির্গত তাপ সরাসরি প্রজনন অঙ্গের ওপর প্রভাব ফেলে, যা শুক্রাণুর গতিশীলতা কমিয়ে দিতে পারে।
প্রসেসড ফুড ও স্থূলতা: জাঙ্ক ফুড এবং অতিরিক্ত ওজন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে গেলে প্রজনন ক্ষমতা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ:
সুস্থ ও সচল শুক্রাণুর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন—আখরোট, পালং শাক এবং ভিটামিন সি যুক্ত ফল খাদ্যতালিকায় রাখুন। সমস্যা গুরুতর মনে হলে লজ্জা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।





