ওভারিয়ান ক্যান্সারকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়, কারণ এর লক্ষণগুলো এতটাই সাধারণ যে মহিলারা অনেক সময় তা বুঝতে পারেন না। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে এই রোগ নিরাময় সম্ভব, কিন্তু অসচেতনতার কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি শেষ পর্যায়ে ধরা পড়ে।
প্রধান লক্ষণসমূহ: * পেট ফোলা ও গ্যাস: দীর্ঘস্থায়ী পেট ফাঁপা বা পেট ফুলে থাকা ওভারিয়ান ক্যান্সারের অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ। অনেকেই একে সাধারণ হজমের সমস্যা ভেবে ভুল করেন।
খাওয়ায় অনীহা: খুব অল্প খাবার খেলেই পেট ভরে যাওয়ার অনুভূতি হওয়া।
তলপেটে ব্যথা: পেলভিক এরিয়া বা তলপেটে অনবরত অস্বস্তি ও ব্যথা।
মূত্রত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন: স্বাভাবিকের চেয়ে ঘনঘন প্রস্রাবের বেগ হওয়া।
ঝুঁকি কাদের বেশি? যাঁদের পরিবারে স্তন বা ওভারিয়ান ক্যান্সারের ইতিহাস আছে, যাঁদের বয়স ৫০-এর বেশি কিংবা যাঁরা দীর্ঘকাল হরমোন থেরাপি নিয়েছেন, তাঁদের ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকে। যদি এই লক্ষণগুলো দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, তবে দেরি না করে দ্রুত গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, আগাম সচেতনতাই পারে মারণ রোগ থেকে জীবন বাঁচাতে।





