বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা সলমন খান সম্প্রতি কাজল এবং টুইঙ্কল খান্নার টক শো ‘টু মাচ উইথ কাজল অ্যান্ড টুইঙ্কল’-এ এসে ব্যক্তিগত জীবনের এক বড় ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। তিনি জানান যে, বিয়ে না করলেও তিনি বাবা হতে চান এবং শীঘ্রই এই ইচ্ছা পূরণ করবেন। এই পর্বে সলমনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বন্ধু আমির খানও।
সম্পর্ক এবং ব্যর্থতা নিয়ে সলমনের উপলব্ধি
৫৯ বছর বয়সী এই তারকা তাঁর পুরনো সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন এবং তাঁর ব্রেকআপের জন্য নিজেকেই দায়ী করেন।
সম্পর্কের মন্ত্র: সলমন জোর দেন যে, পার্টনারদের একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া উচিত। তিনি বলেন, “যখন একজন পার্টনার অন্যজনের থেকে বেশি এগিয়ে যায়, তখন তাদের মধ্যে মতবিরোধ শুরু হয়। তখন নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি জন্মায়। তাই তাদের একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া উচিত। দুজনেরই একে অপরের বোঝা কমানো উচিত।”
ব্যর্থতার দায়: সম্পর্কের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সলমন খান অকপটে নিজেকে দোষারোপ করে বলেন, “সম্পর্কটা জমেনি তো জমেনি। যদি কাউকে দোষ দিতেই হয়, তবে আমি নিজেকেই দোষ দিই।”
বাবা হওয়ার স্বপ্ন: এই সময় তিনি তাঁর ভবিষ্যতের ইচ্ছা প্রকাশ করে বলেন, “একদিন আমার সন্তান অবশ্যই হবে। শীঘ্রই। শেষে সন্তান তো হবেই। দেখা যাক ভবিষ্যতে কী হয়।”
যেভাবে মজবুত হলো আমির-সলমনের বন্ধুত্ব
শো-তে আমির খান তাঁর বন্ধু সলমনের সঙ্গে সম্পর্কের বিবর্তনের গল্প শোনান:
শুরুর ভুল ধারণা: আমির স্বীকার করেন যে, তিনি শুরুতে সলমনকে নিয়ে সময়নিষ্ঠ না হওয়ার জন্য ‘জাজমেন্টাল’ ছিলেন। তিনি বলেন, বিশেষ করে ‘আন্দাজ আপনা আপনা’-র শুটিংয়ের সময় সলমন দেরিতে আসায় তাঁর খুব রাগ হতো।
বিচ্ছেদের পর ঘনিষ্ঠতা: আমির জানান, তাঁদের বন্ধুত্ব আরও মজবুত হয় যখন তিনি প্রথম স্ত্রী রীনা দত্তর সঙ্গে ডিভোর্সের যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমির বলেন, “যখন আমি আমার প্রথম স্ত্রী রিনার সঙ্গে ডিভোর্সের সমস্যায় ভুগছিলাম, তখন সলমন প্রথমবার আমার বাড়িতে আসে। সেই দিন থেকেই আমাদের বন্ধুত্ব আরও মজবুত হয়।”
রাজকুমার সন্তোষীর পরিচালনায় ১৯৯৪ সালের ছবি ‘আন্দাজ আপনা আপনা’-তে আমির ও সলমন প্রথম একসঙ্গে কাজ করেন। ছবিটি সেই সময়ে ফ্লপ হলেও আজ এটি বলিউডের অন্যতম সেরা ‘কাল্ট কমেডি’ ছবি হিসেবে গণ্য হয়।





