অভিনেতা আমির খানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সবসময়ই অনুরাগীদের আগ্রহ থাকে তুঙ্গে। সম্প্রতি টুইঙ্কল খান্না এবং কাজলের চ্যাট শো ‘টু মাচ’-এর একটি পর্বে এসে নিজের দু’টি বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন আমির। প্রথম স্ত্রী রীনা দত্তের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সময় তাঁকে যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, তা তিনি প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে বর্ণনা করলেন।
বিচ্ছেদের আঘাত সামলাতে চার বছর!
আমির খান জানান, প্রথম স্ত্রী রীনা দত্তের সঙ্গে বিচ্ছেদের আঘাত সামলাতে তাঁর প্রায় চার বছর সময় লেগেছিল। দু’বার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতাকে তিনি ‘ট্রম্যাটিক’ বলে বর্ণনা করেছেন।
আমির বলেন, “তোমরা কেউ আমার মতো ট্রম্যাটিক ব্রেকআপের মুখোমুখি হওনি। যখন কোনও সম্পর্কের জন্য অনেক কিছু তুমি সহ্য করো এবং তা সফল হয় না, তা খুব কষ্ট দেয়। সেই থেকে নিজেকে সুস্থ করতে সময় লাগে। আমার চার বছর লেগেছিল পুনরায় এগোতে।”
প্রাক্তন স্ত্রীদের সঙ্গে আজও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
যদিও বিচ্ছেদ হয়েছে, তবুও আমির রীনা এবং কিরণ—দু’জনের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। তিনি জানান, “আমি এখনও রীনা এবং কিরণের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ। যখন তুমি কারও সঙ্গে এত দীর্ঘ সময়—যেমন ১৬ বছর জীবন কাটাও, তখন এমনই হয়… রীনা এবং আমি একসঙ্গে বড় হয়েছি।”
আমির খান ১৯৮৬ সালে রীনা দত্তের সঙ্গে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই সন্তান জুনেদ ও ইরা। ২০০২ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন, তাঁদের ছেলে আজাদ। ২০২১ সালে আমির ও কিরণ বিচ্ছেদের ঘোষণা করেন। উল্লেখযোগ্য বিষয়, কন্যা ইরার বিয়েতে দুই প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়েই আনন্দে মেতে উঠেছিলেন অভিনেতা।
নতুন প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাট ও বিয়ে নিয়ে মন্তব্য
শোয়ে তাঁর রোমান্টিক জীবন নিয়ে কথা বলার সময় টুইঙ্কল খান্না মন্তব্য করেন, “আমরা (টুইঙ্কল এবং অক্ষয়) অনেক দিন ধরে একসঙ্গে আছি, আর এখন আমরা তোমার জীবনের নতুন অধ্যায়ের মাধ্যমে নতুন করে সব কিছুর আমেজ উপভোগ করছি। ৬০ বছর বয়সেও তোমার রোম্যান্স এখনও ফুটছে।”
নতুন প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটকে এখন আমির সবার সামনে নিয়ে এসেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গৌরীর সঙ্গে বিয়ে প্রসঙ্গে আমির বলেন, “আমরা যে সম্পর্কে আছি, তা তো সবাই মোটামুটি এখন জানেই। বিয়ে তো একটা নিয়ম মাত্র। মনে মনে বিশ্বাস করি, গৌরী ও আমি এখন বিবাহিত। তাই ভবিষ্যতে আমাদের সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেব কিনা, তা নিয়ে এখনও ভাবিনি।”





