তারাপীঠের হোটেলে বিভীষিকাময় অগ্নিকাণ্ড! ভোরের আলো ফোটার আগেই পুড়ে ছাই সব, মৃত ৯!

তারাপীঠ থানা থেকে মাত্র ঢিল ছোড়া দূরত্বে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় হোটেলের পুকুরধারে গভীর রাতে আচমকা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার ভোররাতে সুনির্দিষ্ট ওই হোটেলেই হঠাৎ আগুন লেগে যাওয়ায় বড়সড় বিপর্যয় ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ভোররাতের দিকে হোটেলের এক তলায় অবস্থিত বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রধান এনসিবি (NCB) বাক্সে আকস্মিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের ফুলকি দেখতে পান কর্তব্যরত কর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার ও ডাকাডাকি শুরু করেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে সমগ্র হোটেলের বহুতল ভবনে ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট নয়জনের প্রাণহানির দুঃখজনক খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন এবং কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। আজকের সারাদিনে এই বীভৎস দুর্ঘটনা ও তার পরবর্তী আপডেটগুলির দিকেই নজর থাকবে সকলের।
অন্যদিকে, রাজ্য রাজনীতির আঙিনায় গতকালই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সভায় অংশ নিয়েছিলেন বিরোধী দলের হেভিওয়েট নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি চলতি মাস থেকেই অত্যন্ত জনপ্রিয় ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ প্রকল্প নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। কোন কোন উপভোক্তা এই তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন এবং ঠিক কতজন সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই প্রকল্পের টাকা ঢুকছে, সেই সম্পর্কিত সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য ও পরিসংখ্যান তিনি জনসমক্ষে জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি, পুরুলিয়ার এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি উপস্থিত জনসাধারণের কাছে আগামী কাজের মূল্যায়নের জন্য পাকাপোক্তভাবে এক বছর সময় চেয়ে নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, এই এক বছর পর তিনি জনগণের কাঠগড়ায় পরীক্ষায় বসবেন এবং কাজের হিসেব দেবেন। মঙ্গলবার রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝে শুভেন্দু অধিকারী ঠিক কোন কোন অঞ্চলে সফর করেন এবং তাঁর পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ ও মন্তব্য কী হয়, সেদিকেই এখন রাজনৈতিক মহলের তীক্ষ্ণ নজর থাকবে।